ঢালিউড সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়ক মাসুম পারভেজ রুবেল। চলচ্চিত্রে তিনি মার্শাল আর্ট কিংবদন্তি ও অ্যাকশন কিং হিরো হিসেবে সুপরিচিত। ক্যারিয়ারের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ২৩০টির মতো সিনেমায় অভিনয় করেছেন। দীর্ঘদিন অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন তিনি। অভিনয় না করলেও চলচ্চিত্রের বিভিন্ন কার্যক্রমে বেশ সরব অভিনেতা। তবে দীর্ঘ বিরতির ইতি টেনে অভিনয়ে ফিরেছেন রুবেল।
একসঙ্গে চারটি সিনেমা দিয়ে চলচ্চিত্রে আবারও সরব হচ্ছেন ঢাকাই সিনেমার এক সময়ের জনপ্রিয় এই চিত্রনায়ক। ‘জীবন জুয়া’, ‘বিচার’, ‘একাত্তরের গল্প’, ‘ইনসান’ সিনেমাগুলোতে সম্প্রতি চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি। এরই মধ্যে রুবেল ‘জীবন জুয়া’ সিনেমার শুটিং শুরু করে দিয়েছেন। সিনেমাগুলো পরিচালনা করছেন নায়কের কারাতে, ফিল্মের ছাত্র পরিচালক মিজানুর রহমান শামীম। এছাড়াও সিকুয়েল বানাবেন ‘বিচ্ছু বাহিনী’ সিনেমার। জানালেন, একটা শেষ করে আরেকটির শুটিং শুরু করবেন।
নতুন করে ফেরা প্রসঙ্গে রুবেল বলেন, বর্তমানে চলচ্চিত্রের অবস্থা খুবই খারাপ। সবকিছু বিবেচনা করে মনে হয়েছে আমার ফেরা দরকার। এখন বিনোদন দেওয়ার মতো কম সিনেমা নির্মাণ হচ্ছে। দর্শকদের আবার প্রেক্ষগৃহমুখী করতে হবে। তাই প্রেক্ষাগৃহে দর্শক ফেরাতে এই মুহূর্তে বিচ্ছু বাহিনীর মতো একটি সিনেমা দরকার।
চারটি সিনেমার সঙ্গে ‘বিচ্ছু বাহিনী’ কি দর্শকদের হলমুখী করতে আপনার চ্যালেঞ্জ? এমন প্রশ্নে রুবেল বলেন, আমরা সব সময় বলি, এই ছবি সেই ছবি খুব হিট, ব্যবসাসফল, ফাটিয়ে দিয়েছে। কিন্তু হলে দর্শক কই? এই বছরের সব ছবি ফ্লপ। আর যদি চ্যালেঞ্জের কথা বলি, আমি সেই চ্যালেঞ্জ নিতে ইচ্ছুক। তার জন্য সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে। সরকারের এক হাজার কোটি টাকা যদি সঠিকভাবে কাজে লাগানো যায়, তাহলে চলচ্চিত্রকে পুরোপুরি ঘুরিয়ে আনা সম্ভব।
তিনি বলেন, পুরো দুই বছর প্রতি মাসে ভালো মানের দুটি সিনেমা রিলিজ দিতে হবে। বছরে ২৪টি ভালো সিনেমা বানাতে হবে। দর্শকদের মনে তৃপ্তি আসবে, সেই ছবি বানাতে হবে। এ জন্য কারা বাণিজ্যিক সিনেমার পরিচালক, তাদের খুঁজে বের করতে হবে। দর্শকেরা কানেকটেড হতে পারে এমন গল্প লাগবে, সিনেমার নাম সহজ–সরল হতে হবে। সিনেমায় থাকে অ্যাকশন ও বিনোদন, সামাজিক বিষয় থাকে। এ জন্য আমাদের ৪০০ ভালো সিনেমা হল করতে দিতে হবে।
