টানা কয়েকদিনের তাপপ্রবাহের পর প্রথম কালবৈশাখীর দেখা পেলো রাজধানীবাসী। তীব্র কালবৈশাখী ঝড় আর বৃষ্টিতে ভেসে গেছে ঢাকার রাস্তাঘাট। অনেক এলাকায় পানি জমে গেছে।
সকালে এই কালবৈশাখী ঝড়ের গতিবেগ ঢাকার এয়ারপোর্ট এলাকায় ছিল ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার। এছাড়া ভোর ৩ থেকে ৪টার মধ্যে দেশের রংপুর বিভাগেও তীব্র কালবৈশাখী ঝড় হয়েছে। এর গতিবেগ ছিল আরও বেশি, ঘণ্টায় ৭৮ কিলোমিটার।
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ও বুধবার ভোরে দেশের বেশ কয়েকটি অঞ্চলে বৈশাখী ঝড় বয়ে গেছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিলেটসহ দেশের উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় কালবৈশাখী বয়ে যায়। এ সময়ে বাতাসের বেগ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭৮ কিলোমিটার পর্যন্ত ছিল।
বুধবার (২০ এপ্রিল) সকালে নওগাঁ, বগুড়া ও ঢাকার ওপর দিয়ে কালবৈশাখী বয়ে যায়। এ সময় ঢাকায় বাতাসের বেগ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭৯ কিলোমিটার ছিল।
সারাদেশের পরিস্থিতি জানতে চাইলে আবহাওয়াবিদ ড. মো. আবুল কালাম মল্লিক বলেন, ‘সকাল আটটার পর টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, রাঙামাটি, বান্দরবান এলাকায় কালবৈশাখী হানা দেয়। এর প্রভাবে রাজধানী ঢাকাসহ সিলেট, রাজশাহী, টাঙ্গাইল, চট্টগ্রামের বেশকিছু এলাকায় সারাদিন থেমে থেমে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।’
ঢাকায় সকাল পৌনে ৭টায় চারিদিক অন্ধকার হয়ে আসে। শুরু হয় কালবৈশাখী ঝড়। সঙ্গে ছিল বজ্রসহ বৃষ্টি। তবে তীব্র গুমোট সরিয়ে বৃষ্টি নিয়ে আসে প্রশান্তি।
গত কিছুদিন ধরে গরমে নাগরিকদের প্রাণ ওষ্ঠাগত ছিল। ৪৫ মিনিট স্থায়ী ঝড়বৃষ্টি সকাল পৌঁনে ৮টার দিকে অনেকটাই কমে যায়।
