দেশের আটটি জেলার ওপর দিয়ে ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে। তাই ওই এলাকার নদীবন্দরগুলোকে দুই নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। রোববার (১৭ এপ্রিল) রাতে এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম জানিয়েছেন, রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া, টাংগাইল, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত (পুনঃ) ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এছাড়া দেশের অন্যত্র পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই অন্যসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অফিস অন্য এক পূর্বাভাসে জানিয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
এই অবস্থায় সোমবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাসহ রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে প্রবল বিজলী চমকানোসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
এদিকে রাজশাহী, পাবনা, দিনাজপুর ও যশোর অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তাও অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।
ঢাকায় দক্ষিণ/দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ থাকবে ১০-১৫ কি.মি., যা অস্থায়ীভাবে দমকা আকারে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৩০-৪০ কি.মি. পর্যন্ত ওঠে যেতে পারে।
রোববার (১৪ এপ্রিল) গ্রীষ্মের প্রথম মাস বৈশাখের ৪ তারিখ। আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সিলেট ছাড়া দেশের আর কোথাও বৃষ্টি নেই। তাপমাত্রাও স্বাভাবিক। কিন্তু আকাশে মেঘ থাকায় বাতাসের আর্দ্রতা (বায়ুতে থাকা জলীয় বাষ্পের পরিমাণ) বেশি, তৈরি হচ্ছে অস্বস্তি। তাপমাত্রা অনুভূত হচ্ছে বেশি। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গরমে মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে বলে জানা গেছে।
