বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের চিরসবুজ নায়ক আলমগীর এর ৭২তম জন্মবার্ষিকী ছিল গত রোববার। ১৯৫০ সালের ৩ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর বাবা কলিম উদ্দিন আহম্মেদ ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’-এর অন্যতম প্রযোজক।
পারিবারিক, সামাজিক, অ্যাকশন, রোমান্টিক, ফোক, ফ্যান্টাসিসহ নানা ধরনের চলচ্চিত্রের একজন সফল অভিনেতা আলমগীর। প্রযোজক, পরিচালক আর গায়ক হিসেবেও সুনাম কুড়িয়েছেন। বেশ কয়েক দিন লন্ডনে থাকার পর গত শনিবার ঢাকায় ফিরেছেন তিনি। পরদিন একেবারে ঘরোয়া পরিবেশে আলমগীরের জন্মদিন উদ্যাপন করেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা।
নায়ক আলমগীরকে নিয়ে নায়ক উজ্জ্বল বলেন, ‘নায়ক আলমগীর ভীষণ বন্ধুসুলভ একজন মানুষ। তার সঙ্গে আমার পরিচয় অনেক বছরের। একজন শিল্পী হিসেবে তিনি অসাধারণ। তিনি একজন প্রকৃত শিল্পী। আমাদের পরিচয় কয়েক দশকের। আমরা যারা সিনিয়ররা এখনো বেঁচে আছি তাদের মধ্যে আলমগীর একজন। অনেকেই আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন।’
সোহেল রানা বলেন, ‘আলমগীর একজন মেধাবী শিল্পী। তিনি দারুণ দারুণ সিনেমায় অভিনয় করেছেন। দর্শকদের খুব কাছাকাছি পৌঁছানো কঠিন কাজ। আলমগীর সেটা পেরেছেন এবং খুব ভালোভাবেই পেরেছেন। এদেশের সিনেমা শিল্পে তার অবদান অনেক।’
সুবর্ণা মুস্তাফা বলেন, ‘নায়ক আলমগীর সত্যিকারের শিল্পী। আমাদের একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। তিনি মানুষ হিসেবেও অসাধারণ।’
রোজিনা বলেন, ‘আলমগীর ভাই অনেক বড় মাপের শিল্পী। কোনো ধরনের সিনেমায় তিনি মানানসই। এদেশের সিনেমায় যে ক’জন নায়ক বড় অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে আলমগীর অন্যতম। তার জন্য সবসময় আমার আশীর্বাদ থাকবে।’
নায়ক আলমগীর বলেন, ‘জন্মদিন নিয়ে বিশেষ কোনো চাওয়া ছিল না। সবার ভালোবাসায় যেন সুস্থ থাকতে পারি, সুন্দরভাবে বাকি জীবন কাটাতে পারি এটাই চাওয়া। মানুষের ভালোবাসাটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড়।’
আলমগীরের স্ত্রী উপমহাদেশের খ্যাতিমান সংগীত শিল্পী রুনা লায়লা বলেন, ‘সৃষ্টিকর্তার কাছে একটিই চাওয়া- তিনি সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন এবং ভালো থাকুন। মানুষের ভালোবাসা নিয়ে বেঁচে থাকুক। তার জন্য আমার ভালোবাসা ও আশীর্বাদ।’
