সাবধান হয়ে যান, ঔদ্ধত্যপূর্ণ কথা বলবেন না: পুলিশকে ফখরুল

পুলিশের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সাবধান হয়ে যান, ঔদ্ধত্বপূর্ণ কথা বলবেন না। অশালীন কথা বলবেন না। শিষ্টাচার বিবর্জিত কথা বলবেন না। এ দেশের মানুষ আপনাদের ক্ষমা করবে না।

আজ রোববার বিকেলে চট্টগ্রামে আয়োজিত সমাবেশ থেকে তিনি এ কথা বলেন।

ফখরুল বলেন, দুঃসাহস দেখেন এই সরকারের পুলিশ কর্মকর্তার। এত দুঃসাহস কোত্থেকে আসে! আপনারা পুলিশে চাকরি করেন, পুলিশের আইজিপি হন আর কমিশনার হন, আপনারা এ দেশের জনগণের সেবক। জনগণের ট্যাক্সের পয়সায় আপনাদের বেতন হয়। আপনারা ভেবেছেন সারা জীবন এভাবে আওয়ামী লীগ সরকার থাকবে আর আপনাদের সমস্ত অন্যায়ের প্রশ্রয় দিয়ে যাবে? সেটা হবে না। সাবধান হয়ে যান, ঔদ্ধত্বপূর্ণ কথা বলবেন না। অশালীন কথা বলবেন না। শিষ্টাচার বিবর্জিত কথা বলবেন না। এ দেশের মানুষ আপনাদের ক্ষমা করবে না।

তিনি আরও বলেন, র‌্যাবের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এসেছে। অপেক্ষা করেন আরও কী কী আছে। এরপর জনগণের নিষেধাজ্ঞা আসবে। আবারও বলছি, সাবধান হয়ে যান। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে নিয়ে কটূক্তি করলে দেশবাসী ক্ষমা করবে না।

আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে ইতিহাস বিকৃত করেছে অভিযোগ করে ফখরুল বলেন, জিয়াউর রহমানকে ইচ্ছা করলেই মুছে ফেলা যায় না। তিনি বাংলাদেশের মাটিতে মিশে আছে।

“জিয়াউর রহমান আমাদের হৃদয়ে আছেন, এদেশের মানুষের হৃদয়ে আছেন। তাদের বারবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে হয়… সবাইকে মনে করে দিয়ে দিতে হয় এ জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, অন্য কেউ নয়।”

“মুক্তিযুদ্ধে অনেকের অবদান আছে। আমরা কারও অবদান অস্বীকার করতে চাই না। প্রত্যেককে প্রত্যেকের অবদান স্বীকার করতে হবে, কৃতজ্ঞ চিত্তে স্বীকার করতে হবে,” বলেন বিএনপি মহাসচিব।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ দেশের সব গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করেছে।

সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশারফ হোসেন বলেন, “যে বেতার কেন্দ্রে মেজর জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, যে ঘোষণা শুনে দেশবাসী স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, সে স্থানে আমাদের যেতে দেয়নি আওয়ামী লীগ সরকারের পেটোয়া বাহিনী। আওয়ামী লীগ ভয় পেয়ে আমাদের যেতে দেয়নি।”

তিনি বলেন, “আজ যখন ইতিহাসের সত্য বলতে যাই, আওয়ামী লীগের গায়ে জ্বালা ওঠে। কারণ যেখানে আওয়ামী লীগ ব্যর্থ হয়েছিল, আওয়ামী লীগের নেতারা ব্যর্থ হয়েছিলেন, সেখানে একজন মেজর জিয়া সফল হয়েছিলেন।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *