গত ২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সহ-সভাপতি পদে লড়েছিলেন চিত্রনায়ক রিয়াজ আহমেদ। কিন্তু তিনি হেরে যান। পরবর্তীতে এই পদে মিশা-জায়েদ প্যানেল থেকে জয়ী অ্যাকশন হিরো রুবেল পদত্যাগ করে সেখানে রিয়াজকে বসাবেন গুঞ্জন উঠলেও সেটি আর হয়নি। তবে শেষমেশ শিল্পী সমিতিতে ঠিকই পদ পেলেন রিয়াজ।
যদিও সহ-সভাপতি নয়, কার্যনির্বাহী পদে বসানো হচ্ছে এই অভিনেতাকে। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে গত ১০ ফেব্রুয়ারি পদত্যাগ করেন মিশা-জায়েদ প্যানেল থেকে কার্যনির্বাহী সদস্য পদে জয়ী চিত্রনায়িকা রোজিনা। তারই স্থলাভিষিক্ত করা হচ্ছে রিয়াজকে। শনিবার চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিতে কার্যনির্বাহী পরিষদের এক মিটিংয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিন বিকাল চারটায় শুরু হওয়া ওই মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন শিল্পী সমিতির নতুন সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন, সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী নিপুণ আক্তার, সহ-সাধারণ সম্পাদক সাইমন সাদিক, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহনূর, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক ইমন, কোষাধ্যক্ষ আরমান এবং কার্যনির্বাহী সদস্য অঞ্জনা, অমিত হাসান ও কেয়া।
যদিও শনিবারের মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন না চিত্রনায়ক রিয়াজ। তবে খবরটি ইতোমধ্যে তার কানে গেছে। এ প্রসঙ্গে জানতে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে রিয়াজ বলেন, ‘রোজিনা আপার পদত্যাগের কারণে যে পদটি শূন্য হয়েছিল, সেখানে আমাকে নেওয়া হয়েছে। যারা আমাকে যোগ্য মনে করে কমিটিতে নিয়েছেন, তাদের ধন্যবাদ।’
তবে লিখিত চিঠি এখনো পাননি বলে জানান ‘প্রাণের চেয়ে প্রিয়’ তারকা। অভিনেতা বলেন, ‘চিঠি পেলে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবো।’
রিয়াজ দাবি করেন, ‘কমিটিতে না থাকলেও শিল্পী সমিতির একজন সদস্য হিসেবে চলচ্চিত্রের উন্নয়নে বিগত দিনেও কাজ করেছি, এখনো করতে চাই। তবে কমিটিতে থেকে আরও ভালোভাবে কাজ করা যায়।’
জানা গেছে, আগামী ৬ এপ্রিল বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যকরী পরিষদের মিটিংয়ে রিয়াজের শপথের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
এর আগে রোজিনা তার পদত্যাগের ব্যাপারে গণমাধ্যমে জানিয়েছিলেন, তিনি প্রথমে সরাসরি সমিতির অফিসে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিতে চেয়েছিলেন। সেদিন সেখানে দায়িত্বরত কাউকে না পেয়ে একই দিন ই-মেইলের মাধ্যমে এ পদত্যাগপত্র পাঠান।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ জানুয়ারির নির্বাচনে কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেল থেকে সহ-সভাপতি পদে নির্বাচন করেন নায়ক রিয়াজ ও ডিএ তায়েব। মিশা-জায়েদ প্যানেল থেকে জয়ী হন চিত্রনায়ক মাসুম পারভেজ রুবেল ও খলনায়ক ডিপজল। তায়েব নির্বাচন বর্জন করেন।
