৮ বছরের ক্যারিয়ার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারের জন্য সময়টা কম নয়। তারপরও তাসকিন আহমেদকে বাংলাদেশের প্রধান স্ট্রাইক বোলার হিসেবে বিবেচনা করতে চান না বিশেষজ্ঞরা। এর মূল কারণ ধারাবাহিকতার অভাব ও ইনজুরি।
একাধিকবার চোটে পড়েছেন, ম্যাচ ও সিরিজ মিস করেছেন। ফর্ম হারিয়ে দল থেকেও বাদ পড়েছেন বার-দুয়েক। সবশেষ ধাক্কাটা আসে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে। দুবাইয়ের উইকেটে তাসকিনকে দলে রাখেনি বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্ট।
দমে না গিয়ে তাসকিন পরিশ্রম করে গেছেন। তার ফল পেলেন হাতেনাতে। ক্যারিয়ারে প্রথমবার ম্যান অফ দ্য সিরিজ। তাও আবার সাউথ আফ্রিকার মাটিতে।
৩ ম্যাচে ১৪ গড়ে ৮ উইকেট নিয়েছেন তাসকিন। ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ে তার অবদান যে সবচেয়ে বেশি সেটা পরিসংখ্যানই বলছে।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তাসকিন জানালেন, অধিনায়ক তার ওপর যে ভরসা করেছেন তার প্রতিদান দিতে পেরে আনন্দিত।
তিনি যোগ করেন, ‘খুবই খুশি ও গর্বিত। প্রথমবার প্লেয়ার অফ দ্য সিরিজ পুরস্কার পেলাম। গত এক-দেড় বছর যাবত একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করছি। প্রতি ম্যাচেই অধিনায়কের কাছ থেকে সমর্থন পেয়েছি। উনি আমাকে নির্দিষ্ট একটা ভূমিকা দিয়েছেন জোরে ও আক্রমণাত্মক বল করা ও উইকেট নেয়া। এখানে বল করাটা উপভোগ করেছি।’
