ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়ার জন্মদিন ছিল সোমবার (১৪ মার্চ)। বিশেষ এই দিনটিতে সহকর্মী, ভক্ত ও কাছের মানুষদের শুভেচ্ছা আর শুভ কামনায় ভেসেছেন তিনি। তাই দিন শেষে সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে লাইভে আসেন ফারিয়া।
লাইভে নিজকে বিশ্লেষণ করে ফারিয়া বলেন, আমি খুবই সাধারণ মানুষ। সাধারণ বলতে আপনার পাশের পাশের বাসার মেয়েটির মতো ঠিক ওইরকমই ছিলাম।
দিনশেষে রাত সাড়ে ১২ টায় ভক্তদের শুভেচ্ছার উত্তর জানাতে এসে ফারিয়া বলেন, প্রতি জন্মদিনেই আমি লাইভে আসি। জন্মদিন শেষ। এখন সাড়ে ১২ টা বাজে, তাই লাইভে। মোটামুটি বেশ মানুষজন দেখছি। লাইভে আসা হয় বেসিক্যালি মানুষকে থ্যাঙ্কস জানানোর জন্য। এতো শুভেচ্ছা পাই, শুভেচ্ছা গুলো আলাদা আলাদাভাবে উত্তর দেওয়া বা ধন্যবাদ জানানো হয় না। ’
নিজেকে খুবই সাধারণ উল্লেখ করে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি খুবই সাধারণ মানুষ। সাধারণ বলতে আপনার পাশের বাসার মেয়েটির মতো ঠিক ওইরকমই ছিলাম। হয়তো তারা অফিসে যায়, আমি শুটিংয়ে যাই। ওইটাই আমার পেশা, ওইটাই আমার কাজ। আমার কাজের জন্য আমাকে মেকআপ করতে হয়। অফিসে যেমন আমাকে ফাইল দেয়, সেরকম আমাকে স্ক্রিপ্ট দেয়। স্ক্রিপ্টে যে লেখাগুলো থাকে আমাকে আত্মস্থ করার চেষ্টা করি। যখন অ্যাকশন বলে তখন সে লেখাগুলো বলার চেষ্টা করি। ’
নিজেকে অফিসকর্মীর সঙ্গেই মিলিয়ে দিলেন ফারিয়া। বললেন, ‘আপনাদের কাছে আপনাদের অফিসের কাজটা যেমন পেশা, আমার অভিনয়টাও তেমন পেশা। কিন্তু আমার এই পেশার জন্য অনেক মানুষের কাছে ভালোবাসা পাই, তখন ভাবি আমি এতোটা আশা করিনি। যখন আমার সমালোচনা হয় তখনও আমি ঠিক বুঝতে পারি না। মাঝে মাঝে আমার এখনো স্বপ্নের মতো মনে হয় যে এতো মানুষজন চেনে, রাস্তাঘাটে বলে আপনাকে ভালো লাগে। আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। আমার মতো মানুষকে আপনারা এতো ভালোবাসেন।’
উল্লেখ্য, শবনম ফারিয়া টেলিভিশন বিজ্ঞাপনে কাজের মাধ্যমে শোবিজে পা রাখেন। ২০১৩ সালে আদনান আল রাজীব পরিচালিত ‘অল টাইম দৌড়ের উপর’ নাটকের মাধ্যমে অভিনেত্রী হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে তার। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি শবনম ফারিয়াকে। উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু দর্শকপ্রিয় খণ্ড নাটক ও ধারাবাহিক।
২০১৮ সালে দেবী চলচ্চিত্র দিয়ে তার চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে, যে কাজের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে বাচসাস পুরস্কার এবং শ্রেষ্ঠ নবীন অভিনয়শিল্পী বিভাগে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার অর্জন করেন।
ব্যক্তিগত জীবনে ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে ফারিয়া পারিবারিকভাবে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন দীর্ঘদিনের বন্ধু হারুন অর রশীদ অপুর সঙ্গে। তবে তাদের সংসার বেশিদিন টেকেনি তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়।
