‘পরী যা করেছেন তা আমার প্রত্যাশার বাইরে’

আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণি ও অভিনেতা শরিফুল রাজ প্রথমবারের মতো জুটি বেঁধেছেন সিনেমায়। নাম ‘গুণিন’। দুজনের কাছেই সিনেমাটি অনেক বেশি স্পেশাল। আমৃত্যু তারা এই সিনেমার কথা স্মরণ রাখবেন, বুকে আগলে রাখবেন। কেননা এই সিনেমার মাধ্যমেই তারা একে-অপরের দেখা পেয়েছেন, ভালোবেসেছেন এবং শেষ পর্যন্ত বিয়ে করে ঘর বেঁধেছেন।

গিয়াসউদ্দিন সেলিম পরিচালিত সিনেমাটি আজ শুক্রবার (১১ মার্চ) মুক্তি পেয়েছে। দেশের ২০টি প্রেক্ষাগৃহে একযোগে চলছে এটি। তার আগে বুধবার ছবির প্রিমিয়ার হয় রাজধানীর একশ’ ফিটে। এই প্রিমিয়ারে সিনেমাটিক আয়োজনেই বর-বধু সাজে হাজির হোন পরীমণি ও রাজ।

প্রিমিয়ারের পরের দিনই অরণ্য আনোয়ারের ‘মা’ ছবির শুটিংয়ে অংশ নিতে গাজীপুর চলে যান পরীমণি। টানা ৩ দিন শুটিং শেষ করে আজ জানালেন ছবিতে তার অংশের শুটিং পুরোপুরি শেষ করে এখন ঢাকার পথে তিনি।

এর আগে ২৯ অক্টোবর পরীমণিকে ছাড়াই মা সিনেমার শুটিং শুরু হয় গাজীপুরে। চলে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। পরীমণির অংশ ছাড়াই ওই লটে ছবির সব কাজ শেষ হয়। প্রথম লটের শুটিংয়ে পরীমনি না থাকলেও অংশ নিয়েছেন আজাদ আবুল কালাম, ফারজানা ছবি, সাজু খাদেম, রেবেনা করিম জুঁই, শিল্পী সরকার অপু, সেতু , লাবণ্য, শাহাদাত হোসেন।

পরে জানুয়ারিতে পরীমণির অংশের টানা শুটিং করার কথা থাকলেও শুটিং লোকেশনে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন পরী। তাই শুটিং করা আর সম্ভব হয়নি।

শেষ লটে গত ৩ মার্চ শুটিং শুরু করেন পরী। টানা ১০ দিন শুটিং করার পর আজ শেষ হলো পরীর শুটিং।

শুক্রবার সন্ধ্যায় গাজীপুরের শুটিং লোকেশন থেকে পরিচালক অরণ্য আনোয়ার জানান, পরীর অংশের শুটিং পুরোপুরি শেষের মাধ্যমে আজ মা ছবির শুটিং শেষ করলাম। আমরা এখন সব গুছিয়ে ঢাকায় ফিরব। তবে একদিনের কিছু কাজ বাকি রয়েছে। যা ঢাকাতেই শেষ করা হবে।

পরীমণিকে নিয়ে প্রথম ছবি নির্মাণের অভিজ্ঞতা জানিয়ে পরিচালক বলেন, ‘আমার প্রথম সিনেমা এটি। তাই একটু টেনশন কাজ করছিলো নিজের ভেতর। এই ছবির অন্য শিল্পীরা তো পরীক্ষিত। তাদের অনেকেই অভিনয়ের বস। তারা ভালো দেবেন এটা স্বাভাবিক। কিন্তু তাদের পাশাপাশি পরী যা অভিনয় করেছেন তা আমার প্রত্যাশার বাইরে।’

ছবিটি মুক্তি কবে পাবে জানতে চাইলে অরণ্য আনোয়ার বলেন, ‘যেহেতু মা নিয়ে এর গল্প। তাই আগামী মা দিবসেই ছবিটি মুক্তি দেবো আমরা।’

উল্লেখ্য, দীর্ঘ তিন দশকের নির্মাণ ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো সিনেমা বানাচ্ছেন অরণ্য আনোয়ার। নির্মিত হচ্ছে সত্য ঘটনা অবলম্বনে। ১৯৭১ সালে মৃত ঘোষিত ৭ মাস বয়সী এক সন্তানকে নিয়ে তার অসহায় মায়ের আবেগের ঘটনা দেখা যাবে সিনেমাটিতে। সেই অসহায় মায়ের চরিত্রে থাকছেন পরীমণি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *