বুধবার (৯মার্চ) রাজধানীর একশো ফিট এলাকায় এক জমকালো বৌভাত আয়োজন চলছে। লাল-নীল বাতির আলোকসজ্জা সাজানো পুরো চত্তর। ঠিক সন্ধ্যা নামার পরের মুহূর্তে এলেন হালের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণি।তাঁর আশাতেই পুরো অনুষ্ঠানটি যেনো আলোর ঝলকানিতে ভরে গেল।
এসময় পরীমণিকে দেখা গেল নববধূ সাজে। তার সঙ্গে ছিলেন স্বামী শরিফুল রাজ, শাশুড়ী জাহানারা বেগম এবং তার নানু। তাদের সবার উদ্দেশ্য একটাই বহুল-আলোচিত সিনেমা ‘গুণিন’ সিনেমার প্রিমিয়ার শো উপভোগ করবেন সাংবাদিক এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে বসে। কারণ শরিফুল রাজ-পরীমনি ‘গুণিন’ সিনেমা পাত্র-পাত্রী।
পরীমনি-রাজ অভিনীত ‘গুণিন’ প্রিমিয়ার শেষ হওয়ার সঙ্গে-সঙ্গে সবাই যখন সেলফির সঙ্গে কুশল বিনিময়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।তখন পরীমনি শাশুড়ী জাহানারা বেগম চুপচাপ বসে আছেন। এই ফাঁকে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথায় তাঁর।
‘গুণিন’ সিনেমাটি কেমন লেগেছে জানতে চাইলে তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় জাহানারা বেগম বেশ মুগ্ধতার কথা জানায়।শুধু সিনেমা দেখেই উচ্ছ্বাসই নয় পুত্রবধূর প্রশংসায় মেতেছিলেন জাহানারা বেগম। বলেছেন, ‘আমার পুত্রবধূ অনেক ভালো, আমাকে নিজে হাতে রান্না করে খাওয়ায়; মায়া মহব্বত করে। আমাকে আম্মু বলে ডাক দেয়… অনেক খেয়াল করে, আদর যত্ন করে।’
জাহানারা বেগম আরও জানিয়েছেন, পরীর হাতের গরুর মাংস ও চিংড়ি মাছ তাঁর প্রিয়।
গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত ‘গুণিন’ সিনেমার জন্য চিত্রনায়িকা পরীমণি ও চিত্রনায়ক শরিফুল রাজের প্রেম গড়িয়েছে সংসারে। ১১ মার্চ দেশের ২০টি সিনেমা হলে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘গুণিন’। এরপর এর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান চরকির ওয়েব প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাবে এটি।
প্রিমিয়ারে পরীমণি, শরিফুল রাজ ছাড়াও উপস্থিত হয়েছেন অভিনেতা ইরেশ যাকের, নির্মাতা ও ‘চরকি’র প্রধান নির্বাহী রেদওয়ান রনিসহ শোবিজ অঙ্গনের অনেকেই।
এই সিনেমার গল্প নেওয়া হয়েছে কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের ছোটগল্প থেকে। চিত্রনাট্য সাজিয়েছেন নির্মাতা গিয়াসউদ্দিন সেলিম নিজেই। এতে বাংলার আদিম এক সমাজের প্রেক্ষাপট দেখা যাবে। যেখানে পারিবারিক সম্পর্ক, কলহ এবং প্রেমের বিষয়গুলো থাকবে সমান্তরালভাবে।
সিনেমাটির নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন আজাদ আবুল কালাম। তিনি অবশ্য প্রিমিয়ারে অংশ নিতে পারেননি। অন্য একটি প্রোগ্রামে ঢাকার বাইরে রয়েছেন অভিনেতা।
