করোনাকাল শুরু হওয়ার আগে দীপঙ্কর দীপনের পরিচালনায় ‘অপারেশন সুন্দরবন’ নামের একটি সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন চিত্রনায়ক রিয়াজ। সেই সিনেমাটি এখন মুক্তির অপেক্ষায়।
এতে একটি কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন রিয়াজ। সিনেমায় তাকে একজন র্যাবের একজন কর্মকর্তার চরিত্রে অভিনয়ে দেখা যাবে। তার সঙ্গে র্যাবের দলে আছেন অভিনেতা সিয়াম ও রোশন।
এ চরিত্রে নিজের চরিত্র সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্য র্যাবের কাছ থেকে প্রশিক্ষণও নিয়েছেন রিয়াজসহ বাকি দুই তারকা। প্র্যাকটিস এবং এডুকেশনাল দুই ধরণের প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তারা। ফিল্ডিং, বন্দুক সঙ্গে থাকলে কীভাবে স্যালুট দিতে হয়, বন্দুক না থাকলে কীভাবে স্যালুট দিতে হয়, অপারেশনে রেইড দেওয়া, ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন, ফরেনসিক- এগুলোর উপর প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। তাৎক্ষণিক আত্মরক্ষার উপায়সহ অপারেশনে গিয়ে ১৪টি বন্দুক চালানো ব্যবহার জেনেছেন। সবমিলিয়ে এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতা হয়েছে তাদের।
এ প্রসঙ্গে রিয়াজ বলেন, ‘সিনেমাটির গল্প অ্যাকশনধর্মী। যদিও আমি সব ধরনের গল্পের সিনেমায় অভিনয় করতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। তবে এ সিনেমাটির সফলতা নিয়ে আমি আশাবাদী। কারণ এতে বিনোদিত হওয়ার মতো অনেক বিষয়ই রয়েছে। যতটুকু জানি এটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।’
রিয়াজ ছাড়া দীপংকর দীপন পরিচালিত ‘অপারেশন সুন্দরবন’ চলচ্চিত্রের অভিনয়শিল্পীরা হলেন সিয়াম আহমেদ, নুসরাত ফারিয়া, জিয়াউল রোশান, রাইসুল ইসলাম আসাদ, তাসকিন রহমান, শতাব্দী ওয়াদুদ, রওনক হাসান, মনোজ প্রামাণিক, দর্শণা বণিক, আরমান পারভেজ মুরাদ, মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, মনির খান শিমুল, নরেশ ভূঁইয়া প্রমুখ।
পরিচালক দীপংকর দীপন জানান, দেশপ্রেম, রোমাঞ্চ, রহস্য, সাহস, দীর্ঘদিনের অপরাধের শিকড় উন্মোচন, অপরিসীম প্রতিকূল ও রহস্যে ঘেরা বনভূমি সুন্দরবন নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘অপারেশন সুন্দরবন’ প্রযোজনা করেছে র্যাব ওয়েলফেয়ার কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড। সিনেমাটি নিয়ে এরই মধ্যে দর্শকের আগ্রহ দেখা দিয়েছে। ‘অপারেশন সুন্দরবন’ সিনেমার শুটিং শুরুর আগে এক বছরের বেশি সময় সুন্দরবনের বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে বেড়িয়েছে পরিচালক দীপংকর দীপন ও তাঁর দল।
সম্প্রতি দীপন বলেন, ‘ইচ্ছা ছিল পবিত্র ঈদুল ফিতরে “অপারেশন সুন্দরবন” মুক্তি দেব। কিন্তু আমাদেরই বন্ধুপ্রতীম একজন পরিচালক তাঁর ছবিটি এই ঈদে আনতে চান, তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি পরের ঈদে মুক্তি দেওয়ার। তবে আগামী ঈদুল আজহার দিনক্ষণ কোনোভাবে নড়চড় হবে না। পরিবেশ–পরিস্থিতি ভালো না থাকলেও অন্তত কয়েকটি প্রেক্ষাগৃহে হলেও মুক্তি দেব। দর্শকের জন্য বানানো চলচ্চিত্রটি তাঁদের কাছে পৌঁছে দিতে চাই।’
