ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী পরীমনির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। এর ফলে পরীমণির বিরুদ্ধে মাদক মামলা চলতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
মঙ্গলবার (৮ মার্চ) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এ আদেশ দেন। আদালতে পরীমণির পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না ও সৈয়দা নাসরিন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ।
এর আগে ১ মার্চ চিত্রনায়িকা পরীমণির মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলার কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় অভিযোগ গঠনের আদেশ কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত।
বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. সেলিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
গত বছরের ৪ আগস্ট বিকেলে বনানীর ১২ নম্বর সড়কে পরীমনির বাসায় অভিযান চালায় র্যাব। পরে মাদকের মামলায় পরীমনিকে তিন দফা রিমান্ডে নেয়া হয়।
পরে ৩১ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ অভিযোগপত্র জমা না হওয়া পর্যন্ত তার জামিন মঞ্জুর করেন। পরদিন ১ সেপ্টেম্বর কারামুক্ত হন পরীমনি।
এ ঘটনায় বনানী থানার মামলায় পরীমনিসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে গত ১৫ নভেম্বর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে অভিযোগপত্র জমা দেয় সিআইডি।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, পরীমনির বাসা থেকে জব্দ করা মাদকদ্রব্যের বৈধ কোনো কাগজপত্র ছিল না। মামলার অপর দুই আসামি আশরাফুল ইসলাম ও কবির হোসেনের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থান থেকে তিনি অবৈধ মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে বাসায় রেখেছিলেন। তার গাড়িটি মাদকদ্রব্য বহনের কাজে ব্যবহার করা হতো।
