জায়েদ খানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব: ইলিয়াস কাঞ্চন

চিত্রনায়ক জায়েদ খানের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রায়ের ‘ভুয়া সার্টিফায়েড কপি’ দেখিয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে শপথ নেওয়ার অভিযোগ তুলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন।

সোমবার রাতে এফডিসিতে এক সংবাদ সম্মেলন ডেকে ইলিয়াস কাঞ্চন জানালেন, শপথ নেওয়ার আগে ‘ভুয়া সার্টিফায়েড কপি’ দেখিয়েছেন জায়েদ খান; ফলে তার শপথের কোনো গ্রহণযোগ্যতা থাকছে না।

হাইকোর্ট ৩ মার্চ জায়েদকে বৈধ সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করলে শপথের আয়োজন করে শিল্পী সমিতির সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন। তবে তার শর্ত ছিল হাইকোর্টের রায়ের সার্টিফাইড কপি দেখাতে হবে।

৪ মার্চ শপথের সময় জায়েদ একটি কাগজ দেখান, কিন্তু পরে জানা যায় কাগজটি ৩ মার্চ রায়ের কপি না। সেট ৯ ফেব্রুয়ারি একটি কাগজ। এ ছলনার জন্য ইলিয়াস কাঞ্চন তার সভাপতির ক্ষমতা বলে জায়েদ খানের শপথ পড়া গ্রহণ করছেন না বলে সংবাদ সম্মেলনে বলেন।

সোমবার রাতে এফডিসিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমি জায়েদকে বলেছিলাম ল’ফার্মে কপি দেখে শপথ পড়াবো না, আমাকে আদালতের সার্টিফাইড কপি দেখাতে হবে। শুক্রবার জায়েদ সাহেব আপনাদেরকে (সাংবাদিকদের) এই জায়গার মধ্যেই আপনাদেরকে একটা সার্টিফাইড কপি দেখিয়েছিলেন। আমি তার একটি কপি চাই, কিন্তু তিনি এই-সেই বলে কপি দেয় সোমবার। যে কপিটি দিল সেটি ৯ ফেব্রুয়ারির একটি কাগজ।’

শপশ নেয়ার জন্য এই ছলনার আশ্রয় নেয়া, সত্যের বিপরীতে গিয়ে শিল্পী সমিতির সভাপতিকে ধোকায় ফেলার কারণে জায়েদ খানের শপথ নেয়াটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানান ইলিয়াস কাঞ্চন।

৪ মার্চ কার্যনির্বাহী সভাতেও উপস্থিত ছিলেন জায়েদ খান। নিয়ম অনুযায়ী ৭ জন সদস্য হলেই কোরাম পূর্ণ হয় এবং মিটিং করা যায়।

সেই মিটিংও বাতিল করেছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। তিনি বলেন, ‘তার শপথ যেহেতু গ্রহণ করা হলো না, তাই তার মিটিংয়ে উপস্থিত হওয়াটাও বৈধ নয়। সেক্ষত্রে মিটিংয়ের কোরাম পূর্ণ হয় না। তাই সেদিনের যে মিটিং ডিসমিস করলাম।’

কাঞ্চন জানান, তিনি সভাপতি হিসেবে অচিরেই একটা ইমার্জেন্সি মিটিং কল করবের এবং এর বিরুদ্ধে একটা ব্যবস্থা নেবেন। সমিতির গঠনতন্ত্র মেনেই আগামী কার্যক্রম চলবে।

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যক্রম পরিচালনা করতে গেলে সাধারণ সম্পাদকের প্রয়োজন হলে কী করবেন, জানতে চাইলে কাঞ্চন বলেন, ‘যদি প্রয়োজন হয় তাহলে সহসাধারণ সম্পাদক সেই কাজগুলো করতে পারবেন। আর এটা গঠনতন্ত্রেও আছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *