জায়েদ খান হাইকোর্টের ভুয়া কাগজ দেখিয়ে শপথ নিয়েছে: সাইমন

হাইকোর্ট এর বরাতে আনা একটি ‘ ভুয়া কাগজ’ দেখিয়ে জায়েদ খান শিল্পী সমিতি সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শপথ নিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন শিল্পী সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক সাইমন।

রোববার সন্ধ্যায় এফডিসিতে নিপুণকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করার সময় সাইমন বলেন, ‘কোর্ট থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো কাগজ বের হয়নি। কোর্ট থেকে যে রায় এসেছিল, তার কোনো কাগজ দেয়া হয়নি। তাহলে কাগজ কই থেকে পেলেন জায়েদ খান?’

সাইমন বলেন ‘আসলে ওই কাগজ ভুয়া ছিল। কাগজ দেখতে চেয়েছিলাম কিন্তু উনি কাউকে দেখাননি। কাগজটা সঠিক ছিল না বলে কাউকে জায়েদ খান দেখায়নি।’-

জায়েদ খান ‘জাল ও অনৈতিক কাগজ’ দেখিয়ে শপথ নিয়েছেন উল্লেখ করে সাইমন বলেন, ইলিয়াস কাঞ্চন ভাইয়ার কাছে জানতে চেয়েছিলাম। উনি বলেছেন, কাগজ সঠিক কিনা জানেন না। তবে জায়েদ খান যে কাগজ দেখিয়েছেন সেটা আইন সিদ্ধ নয়।

সাইমন বলেন, আজ (রোববার) শুনানি ছিল। আদালত থেকে বিচারক মহোদয় নিজেও বলেছেন, কোর্ট থেকে কোনো কাগজ বের হয়নি। সেজন্য আজ নতুন করে চার সপ্তাহের জন্য স্টে করা হয়েছে। যদি কাগজ বের হতো তবে আজকে এই স্টে অর্ডার হতো না। তাছাড়া পৃথিবীর কোনো আদালত থেকে শুক্রবার কোনো কাগজ বের হয় না। তাই ওই কাগজটি ছিল ভুয়া।

আগামী ১ মাস অপেক্ষা করতে হবে। বিশ্বাস আছে, আগামী একমাস পর আমরা কাঙ্ক্ষিত রায় পাবো। বলেন সাইমন।

সাংবাদিক সম্মলনে নিপুণ বলেন, ‘সবাই আমাকে জিজ্ঞেস করছে এই চেয়ারটা নিয়ে কেন এত যুদ্ধ। আমি কিন্তু প্রথম থেকেই বলছি আমি এই চেয়ারটা নিয়ে যুদ্ধ করছি না। আমার যুদ্ধটা একজন অপশিল্পীর বিরুদ্ধে, অপশক্তির বিরুদ্ধে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে।

‘সেখান থেকে আমাকে এক সময় আমাকে বলা হয়েছিল যে, কোর্টের বারান্দায় বারান্দায় না ঘুরে আমি যাতে অভিনয় করি; আমি এখনও কাজ করে যাচ্ছি, আমি খুব ভালো দুটা ব্যবসা চালাই। আমাকে যখন আপনি কোর্টে নিতে বাধ্য করেছেন তখন তো আমি কোর্টে যাবই, আমি গিয়েছি এবং মহামান্য আদালত থেকে ন্যায় বিচার পেয়েছি।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে নিপুণ বলেন, ‘এইটা সেকেন্ড টাইম, আমার লাইফে এই সেকেন্ড টাইম আমি কোর্টে গিয়েছি এবং বাংলাদেশে আমি কখনো কোর্টে যাইনি। এই সেকেন্ড টাইম আমি আমার শিল্পী সমিতির জন্য, এই শিল্পীদের জন্য আমি আজকে কোর্টে গিয়েছি, কোর্টে গিয়ে দাঁড়িয়েছি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *