ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। বুধবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) তার কাছে শপথ নিয়েছেন কার্যকরী সদস্য পদে জয়ী অভিনেত্রী অঞ্জনা।
শপথ গ্রহণ শেষে অঞ্জনা তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, ‘ইলিয়াস কাঞ্চন আমার ১৭টি সিনেমার নায়ক। তার প্রতি আমার আলাদা ফিলিংস তো আছেই। তাছাড়া তিনি কিংবদন্তি অভিনেতা। একজন ভালো মানুষ। তাকে সভাপতি হিসেবে পেয়ে আমরা আনন্দিত।
এর আগে ৬ ফেব্রুয়ারি গত মেয়াদের সভাপতি মিশা সওদাগরের কাছ থেকে শপথের মাধ্যমে দায়িত্ব বুঝে নেন ইলিয়াস কাঞ্চন; শপথের আয়োজনে কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেল থেকে নির্বাচিতরা উপস্থিত থাকলেও মিশা-জায়েদ খান প্যানেল থেকে নির্বাচিতদের মধ্যে নাদের খান ছাড়া কেউ ছিলেন না।
সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে নিপুণ আক্তার ও জায়েদ খানের মধ্যে আইনি লড়াইয়ের মধ্যে দুই প্যানেলের বিভেদ স্পষ্ট হয়েছে; ইতোমধ্যে মিশা-জায়েদ প্যানেল থেকে নির্বাচিত রোজিনা পদত্যাগের ঘোষণাও দিয়েছেন।
চলমান সঙ্কট নিরসনে নিজে শপথ নেওয়ার পর মিশা-জায়েদ প্যানেলের নির্বাচিত বাকিদেরও শপথ নেওয়ার আহ্বান জানালেন অঞ্জনা।
“আমি আশা করছি, মিশা-জায়েদের পরিষদ থেকে যারা নির্বাচিত হয়েছেন তারাও শপথ নেবেন। আমরা একটি পরিবার, সবাইকে একত্র হয়ে কাজ করতে হবে।”
শপথ নিতে দেরি হওয়ার কারণ কী?-এমন প্রশ্নের জবাবে অঞ্জনা বলেন, “কিছু সমস্যা ছিল পদ নিয়ে, সেটার জন্য অপেক্ষা করেছি। বিষয়টি দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে; একজন সিনিয়র শিল্পী হিসেবে মনে করি, অনেক দিন হয়ে গেছে। যেহেতু আমি জয়ী হয়েছি সেহেতু শপথ নিয়েছি। সমিতির অন্যান্যদের বিষয়টি অবহিত করেছি। তারা আমাকে স্বাগত জানিয়েছেন।”
অঞ্জনাকে শপথ পাঠ করানো শেষে ইলিয়াস কাঞ্চন গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ি আমরা কার্যক্রম চালিয়ে যাবো। গঠনতন্ত্রের বাইরে আমাদের যাওয়ার সুযোগ নেই।’
কাঞ্চন বলেন, ‘যারা এখনও শপথ নেননি, আমি আশা করবো তারা শিগগির শপথ গ্রহণ করবেন। আমরা এখনও কার্যকরী কমিটির সভা করিনি, আশা করছি ৭ দিনের মধ্যে কার্যকরী পরিষদের সভা করবো। যারা যারা নির্বাচিত হয়েছেন, সেই সভায় সবাইকে দাওয়াত দেয়া হবে।’
