‘ভালোবাসা’। এর চেয়ে কোমল শব্দ আর কী হতে পারে! একটি মাত্র শব্দ। তাতে এত মধু! এত আবেগ! ভালোবাসা আছে বলেই মানুষ বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখে। ভালোবাসা আছে বলেই মানুষ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসে।
আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস (সেন্ট ভ্যালেন্টাইনস ডে)। ভালোবাসা কোনো দিবস বা সময়-ক্ষণ গুণে আসে না। ভালোবাসার সত্তা সর্বজনীন। ভালোবাসা বহুরূপী। তবুও কালের পরিক্রমায় ১৪ ফেব্রুয়ারি যেন ভালোবাসা প্রকাশের একটি আনুষ্ঠানিক দিবসে রূপ নিয়েছে।
সব সংকোচ আড়াল করে আপনকে আরও আপন করার দিন আজ। প্রেম-ভালোবাসার নির্মল আনন্দে মেতে উঠবে বিশ্ব। বিশেষত তরুণ-তরুণীরা প্রেমময় আবেগে ভালোবাসার বাহু মেলে ধরবে।
গোটা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও ভালোবাসা দিবসের ছোঁয়া লেগেছে সম্প্রতি। বিশেষ করে শহুরে জীবনে এই দিবসের প্রভাব দিন দিন বেড়েই চলছে। তবে গ্রামেও এখন ভালোবাসা দিবসের বিশেষ আয়োজন লক্ষ্য করা যায়।
তবে ভালোবাসা একেকজনের কাছে একেক সময় একেক রকম। এখন ২০২২, এখনও মানুষ ভালোবাসার মানে খোঁজে এবং ব্যাখ্যা করে ভিন্ন ভিন্নভাবে।
ভালোবাসার মানে বলতে গিয়ে ফোক সম্রাজ্ঞী মমতাজ বলেন, ‘ভালোবাসা শব্দটা তো আসলে একেক জায়গায় একেকভাবে ব্যবহার করে থাকি। এই ভালোবাসার অর্থের কোনো শেষ নাই। দেশ, মানুষ, সৃষ্টিকর্তার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো, অন্যকে সম্মানিত করা, নিজেও সম্মানিত হওয়া, একে অপরের পাশে থাকাই হলো ভালোবাসা। সবকিছু মিলে একাকার হওয়ার নামই হলো ভালোবাসা।’
সংগীতশিল্পী বাপ্পা মজুমদার বলেন, ‘ভালোবাসা আমার কাছে মনে হয় খুবই ডিভাইন একটা অনুভূতির জায়গা, অত্যন্ত পবিত্র একটা অনুভূতির জায়গা এবং এখানে কোনো ভাগ করা যায় না। ভালোবাসা নানান রকম হতে পারে, এর প্রকারভেদ নানান রকম, একেকজনের কাছে ভালোবাসার অভিব্যক্তি একেক রকম।’
সংগীতশিল্পী অর্ণব বলেন, ‘সবাই সবাইকে ভালোবাসো। আমি যেটা বলতে চাই, নিজেকে ভালোবাসো। আর বলব, সেটা হচ্ছে (…কিছুক্ষণ চুপ…) হ্যাপি ভ্যালেন্টাইন ডে।’
