কর্ণাটকের হিজাব বিতর্কের রেশ ছড়িয়েছে ভারতজুড়ে। এ নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করছেন বলিউড সেলিব্রেটিরাও। এবার শোনা গেল, ‘আল্লাহু আকবর’ ধ্বনি দিয়ে নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হওয়া তরুণীকে ৩ কোটি টাকা পুরস্কার দিতে চলেছেন সালমান খান ও আমির খান।
সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টে আরও বলা হয়েছে, তুরস্ক সরকারও পুরস্কৃত করবে মুসকানকে। তবে তা গুজব নাকি সত্যি তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।
উদুপির একটি কলেজ থেকে প্রথমে শুরু হয়েছিল হিজাব বিতর্ক। কলেজে কয়েকজন মুসলিম শিক্ষার্থীকে বলা হয়, হিজাব খুলে আসতে নয়তো ক্লাসরুম ছেড়ে বেরিয়ে যেতে। শিক্ষার্থীরা হিজাব খুলতে অস্বীকার করলে তাদের ক্লাস ছেড়ে বেরিয়ে যেতে বাধ্য করা হয়। এরপরেই শুরু হয় বিক্ষোভ।
এরমাঝে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওর জেরে বিক্ষোভের আগুন চড়চড়িয়ে বেড়েছে। ভিডিওটি কর্ণাটকের এক কলেজের। সেখানে দেখা যাচ্ছে, একদল হিন্দুত্ববাদী যুবক জোর গলায় ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিচ্ছে। পালটা ‘আল্লাহু আকবর’ স্লোগান দেন বোরখা পরা এক তরুণী। ভিডিওটি বিভিন্ন মহলে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।
ভিডিওর মেয়েটির নাম মুসকান খান। রাতারাতি ভাইরাল হয়ে পড়েন তিনি। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে দাবি করা হয়, সালমান, আমির এবং তুরস্ক সরকার ওই তরুণীকে একটি বড় অঙ্কের টাকা পুরস্কার দিতে চলেছেন।
পোস্টে আরো দাবি করা হয়, তুরস্ক সরকারের তরফে ৫ কোটি এবং সালমান ও আমিরের তরফে ৩ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।
তবে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, এই খবর সম্পূর্ণ ভুয়া। তুরস্ক সরকারের তরফে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি যে মুসকানকে ওই টাকাটা দেওয়া হবে। পাশাপাশি আমির ও সালমানের তরফেও এমন কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি যে তারা মুসকানকে ৩ কোটি টাকা দেবেন।
এমনকি হিজাব বিতর্কে এখনো মুখ পর্যন্ত খোলেননি সালমান বা আমির। সবদিক দেখেই মনে করা হচ্ছে, সম্ভবত এটি একটি গুজব।
