চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে বিজয়ীদের শপথ অনুষ্ঠান ছিল আজ বিকাল ৫টায়। শপথ পাঠ শুরু হয় সাড়ে পাঁচটায়। শপথ অনুষ্ঠানে জায়েদ খান নেই। সেটা অনুমিতই ছিল।
কিন্তু মিশা-জায়েদের প্যানেলের সদ্য বিদায়ী সভাপতি মিশা সওদাগর এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বিস্ময় তৈরি করেছেন।
আপিল বোর্ডের সিদ্ধান্তে জায়েদের প্রার্থিতা বাতিল করে নিপুণকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। এই ঘটনার পর আদালতে যাবেন বলে জানিয়েছেন জায়েদ।
মিশা সওদাগরের উপস্থিতিকে দৃষ্টান্ত হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন জৈষ্ঠ্য অভিনেতা আলমগীর। মিশা কেবল উপস্থিত থাকেননি, সভাপতি পদে বিজয়ী ইলিয়াস কাঞ্চনকে শপথবাক্যও পাঠ করান তিনি।
এরপর নিয়ম অনুযায়ী সমিতির অন্যান্য নির্বাচিত নেতাদের শপথ পাঠ করিয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কিংবদন্তি নায়ক আলমগীর, পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান, দেলোয়ার জাহান ঝন্টুসহ অনেকেই।
এদিন শপথ গ্রহণ করেছেন সাধারণ সম্পাদক পদে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হওয়া নায়িকা নিপুণ, সহসাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী সাইমন সাদিক, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহনূর, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক মামনুন ইমন। এছাড়াও ছিলেন কার্যকরী পরিষদে জয়লাভ করা অমিত হাসান, ফেরদৌস, কেয়া, জেসমিন প্রমুখ।
তবে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আসেননি পরাজিত আরেক প্যানেলের বিজয়ী ২ জন সহ-সভাপতি ডিপজল ও রুবেল, আন্তর্জাতিক সম্পাদক জয় চৌধুরী। এই প্যানেল থেকে কার্যকরী সদস্য পদে জয়ী হয়েও শপথ গ্রহণ নেননি রোজিনা, অঞ্জনা, অরুণা বিশ্বাস, আলীরাজ।
২৮ জানুয়ারি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন ভোরে ফলাফল ঘোষণা করা হয় নির্বাচনে সভাপতি পদে মিশা সওদাগরকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। অন্যদিকে, তর্ক-বিতর্কের মধ্য দিয়ে জায়েদ খানের কাছে ১৩ ভোটে হেরে যায় নিপুণ।
ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই নিপুণ ছিলেন সোচ্চার। তিনি জায়েদের বিরুদ্ধে ভোটারদের টাকা দেয়ার অভিযোগ এনে নির্বাচনী আপিল বোর্ডে অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের উপযুক্ত সত্যতা পায় আপিল বোর্ড।
পরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে যাচাই বাছাই শেষে শনিবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করে নিপুণকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।
