‘জায়েদ খানের বিচার চাই, ওরে আমি অভিশাপ দিচ্ছি’

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে সমিতিতে সদস্যপদ না পাওয়া শিল্পীরা।

সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খান থাকবেন কি না, তা নিয়ে শনিবার বিকালে আপিল বোর্ডের বৈঠকের আগে দুপুর ৩টা থেকে এফডিসিতে বিক্ষোভ দেখায় মিশা-জায়েদের আমলে ভোটাধিকার হারানো শিল্পীরা।

বিক্ষোভ থেকে নৃত্যশিল্পী রতন বলেন, “আমাদের সাথে অন্যায় করেছে জায়েদ৷ ২০ বছর ধরে এফডিসিতে আছি। প্রায় ১০০টি সিনেমায় কাজ করেছি৷ আমার মতো শিল্পীকেও সে বঞ্চিত করেছে। আমরা ওর পদত্যাগ চাই। আমি ওর বিচার চাই৷ ওকে আমি অভিশাপ দিচ্ছি।”

তারা দলবদ্ধ হয়ে, কেউ খালি গায়ে আল্পনা এঁকে জায়েদের বিচার দাবি করেন। এসময় ‘বিচার চাই, বিচার চাই, জায়েদ খানের বিচার চাই’ স্লোগান দিয়ে এফডিসিতে মিছিলও করে তারা।

তাদের অভিযোগ, জায়েদ খান তাদের ভোটাধিকার হরণ করেছেন। তবে জায়েদ খান বরারবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

শনিবার বিকেলে আপিল বোর্ড মিটিং ডেকেছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এ মিটিংয়ে দায়িত্ব পালন করছেন আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহান। এতে অভিযোগকারী নিপুণ উপস্থিত থাকলেও আসেননি জায়েদ খান।

এর আগে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত জায়েদ খান ও কার্যকরী পরিষদ সদস্য পদে নির্বাচিত চুন্নুর প্রার্থিতা বাতিলের আবেদন করা হয়।

আবেদনটি করেন তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক পদে পরাজিত প্রার্থী নিপুণ আক্তার।

প্রার্থিতা বাতিলের অভিযোগের দিকনির্দেশনা চেয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠান আপিল বোর্ডের প্রধান সোহানুর রহমান সোহান। আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যানকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বলে মন্ত্রণালয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় এফডিসিতে আসেন নিপুণ, আপিল বোর্ডের সদস্য সোহানুর রহমান সোহানসহ অনেকে।

সোহান বলেন, ‘আমরা মিটিং করার জন্য বাদী-বিবাদীকে চিঠি দিয়েছি, কিন্তু জায়েদ খান আসেননি। তার জন্য আমরা ৪টা থেকে অপেক্ষা করেছি। জায়েদ না আসায় তাকে ছাড়াই মিটিং শুরু করেছি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *