দীর্ঘদিন অভিনয়ে নেই একসময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক শাকিল খান। তবে চলচ্চিত্র শিল্পীদের বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রায়ই তাকে দেখা যায়।
এবারের নির্বাচনে কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেল থেকে কার্যকরী সদস্যপদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন শাকিল। জয়ের ব্যাপারে তিনি বেশ আশাবাদী ছিলেন। ভোটারদের অনেকেই তাকে নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।
কিন্তু ফল প্রকাশের পর দেখা গেল তিনি ভোট পেয়েছেন মাত্র ৭৯টি। সদস্যপদে নির্বাচন করা নায়িকা পরীমনির মতোই তার অবস্থান ভোট পাওয়ার দিক থেকে ২২তম।
এদিকে কাঞ্চন-নিপুণ পরিষদ থেকে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নিলেও ভোটের মাঠে সরব হতে দেখা যায়নি শাকিল খানকে। এমনকি ভোট দিয়েই এফডিসি ত্যাগ করেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে শাকিল খান বলেন, আমি নির্বাচনে এসেছি সবার সমন্বয়ে যেন সুন্দর একটি নির্বাচন হয় সেটি নিশ্চিত করতে। নব্বই দশকের দিকে আমরা যারা কাজ শুরু করেছি, সবাই চাই ইয়াং জেনারেশনে যারাই আসুক বা পুরাতন যারা কাজ করছেন, তারা যেন সুন্দর পরিবেশে কাজ করতে পারেন। এখানে শিল্পীদের একজন গার্ডিয়ান দরকার, যে লোকটি শিল্পীদের টেককেয়ার করতে পারবে। আমি সেই টিমে থাকতে পারলে, শিল্পীদের যদি কোনো কাজে আসতে পারি, ভালো লাগবে।
ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেল থেকে ‘কার্যকরী পরিষদ সদস্য’ পদে প্রার্থী ছিলেন নায়িকা পরীমনিও। শেষ সময়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়ে ৭৯ ভোট পেয়েছেন তিনি।ভোটগ্রহণের দিন মাঠে থাকেননি ঢাকাই ছবির এই আলোচিত নায়িকা।
২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে চলচ্চিত্রশিল্পী সমিতির ৪৪ অভিনয়শিল্পী ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ৪২৮ জন ভোটার ২২ জনকে প্রার্থীকে বেছে নিয়েছেন। এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে জিতেছেন বরেণ্য অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন ও সাধারণ সম্পাদক পদে জিতেছেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। এ নিয়ে টানা তিন বার সাধারণ সম্পাদক পদে জিতলেন জায়েদ খান।
এবারে সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন ডিপজল ও রুবেল, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে সাইমন সাদিক জয়ী হয়েছেন।
সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন শাহানুর। আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে জয় চৌধুরীর। দপ্তর সম্পাদক পদে আরমান। সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে জিতেছেন মামনুন ইমন। আজাদ খান কোষাধ্যক্ষ হয়েছেন। কার্যকরী সদস্য পদে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন নায়ক ফেরদৌস।
এছাড়াও নির্বাচিত হয়েছেন মৌসুমী, অঞ্জনা, রোজিনা, অরুণা বিশ্বাস, কেয়া, অমিত হাসান, জেসমিন, সুচরিতা, চুন্নু ও আলীরাজ।
