বিনোদন ডেস্ক- অভিনেত্রী মৌসুমী এবার শিল্পী সমিতির নির্বাচনে মিশা-জায়েদ প্যানেল থেকে কার্যকরী পরিষদের সদস্য হয়ে নির্বাচন করছেন। ২০১৯-২১ মেয়াদে শিল্পী সমিতির নির্বাচন করেছিলেন সভাপতি পদে মৌসুমী। সেবার তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্যানেলে ছিলেন মিশা-জায়েদ খান। কিন্তু কেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্যানেল থেকে নির্বাচন করছে তিনি?
এ নিয়ে নানা রকম কথা চলছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে। বিষয়টি পরিষ্কার করতে গতকাল সন্ধ্যায় ফেসবুক থেকে লাইভে আসেন ওমর সানী। এ সময় তার সঙ্গে সাংবাদিকরাও উপস্থিত ছিলেন।
সানী জানান, মৌসুমীর শুধু ২০১৯-২১ মেয়াদ না, কখনই নির্বাচন করার ইচ্ছা ছিল না, কিন্তু চলচ্চিত্রের মানুষ হিসেবে তার কিছু দায়িত্ব থাকে। সেই দায়িত্ব এবং সে সময় অনেকের অনুরোধে নির্বাচন করেন মৌসুমী।
সেই মেয়াদে মৌসুমী বিজয়ী হতে পারেননি। তাহলে এখন কেন আবার সেই প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গেই নির্বাচন করছেন- জানতে চাইলে সানী বলেন, ‘আমি আর মৌসুমী একটি সিনেমা করতে গেলাম, নাম সোনার চড়। আমরা যখন সিনেমাটিতে চুক্তিবদ্ধ হই, তখন জায়েদের অভিনয় করার কথা না। সে পরে যুক্ত হয়, তার সঙ্গে অনেক কথা হয় এবং তাকে আমরা বুঝতে পারি।’
সানী আরও বলেন, ‘তাছাড়া মৌসুমী গণমাধ্যমে বলেছে, করোনার মধ্যে মিশা-জায়েদের যে কাজ, সেটি প্রশংসার যোগ্য, সেগুলো বিচার করেই মৌসুমী তাদের সঙ্গে নির্বাচন করতে গেছে।’
আগের কিছু কথা স্মৃতিচারণ করে সানী বলেন, ‘২০১৯-২১ মেয়াদে ফেরদৌস, রিয়াজ, সাইমন, পপিদের নিয়েই মৌসুমীর প্যানেল হওয়ার কথা ছিল; কিন্তু তারা পরে সবাই যার যার মতো করে চলে গেছে। এবার, অর্থাৎ ২০২২-২৪ মেয়াদে যখন তারাই আবার প্যানেল করে, তখন মৌসুমীর কাছে তারা কথা বলতে আসেনি।’
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ১৭তম নির্বাচন আগামী ২৮ জানুয়ারি। এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে অভিনেতা মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক পদে চিত্রনায়ক জায়েদ খান একই প্যানেল থেকে নির্বাচন করছেন। অন্যদিকে সভাপতি পদে অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন ও সাধারণ সম্পাদক পদে চিত্রনায়িকা নিপুণ আক্তার একই প্যানেল থেকে নির্বাচন করছেন।
এবার নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করবেন পীরজাদা হারুন। দুজন সদস্য হলেন জাহিদ হোসেন ও বজলুর রাশীদ চৌধুরী। আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান করা হয়েছে সোহানুর রহমান সোহানকে। মোহাম্মদ হোসেন জেমী ও মোহাম্মদ হোসেনকে আপিল বোর্ডের সদস্য করা হয়েছে।
