বিনোদন ডেস্ক- বরিশাল থেকে ঢাকায় এসেছিলেন মূলত ইংরেজির ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণ নিতে। কারণ তার উদ্দেশ্য ছিল বিদেশে গিয়ে পড়াশোনা করা। কিন্তু শখের বশে অংশ নেন মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায়। সৌন্দর্য আর বুদ্ধিমত্তায় বিচারকদের মুগ্ধ করে তিনি হয়ে যান বিজয়ী। এরপর তার নামটি জেনে গেছেন শোবিজপ্রিয় সবাই। তিনি জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী।
বাংলাদেশের হয়ে মিস ওয়ার্ল্ড-এ প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন তিনি। সেরা ৩০ জন প্রতিযোগীর তালিকায় পর্যন্ত পৌঁছেছিলেন। এরপর দেশে ফিরে জড়িয়ে পড়েন শোবিজ কেন্দ্রিক কাজে। তবে ক্যারিয়ারের শুরুতেই দারুণ বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছেন ঐশী। ভেবে-চিন্তে নাম লিখিয়েছেন সিনেমায়। তার অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘মিশন এক্সট্রিম’ মুক্তি পায় ৩ ডিসেম্বর।
দ্বিতীয়টি বছরের শেষ দিন অর্থাৎ আগামীকাল ৩১ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে মীর সাব্বির পরিচালিত ‘রাত জাগা ফুল’। ছবিতে তাঁর বিপরীতে থাকছেন আবু হুরায়রা তানভীর।
মীর সাব্বির পরিচালিত প্রথম সিনেমার অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে ঐশী বলেন, ‘বরিশাইল্যা হিসেবে আমি গর্বিত। এ সিনেমায় কাজ করা ও মীর সাব্বির ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করা আমাকে গর্বিত করেছে।’
সিনেমায় ঐশীর সঙ্গে অনেকটা সময় দেখা যাবে অভিনেতা রাশেদ মামুন অপুকে। তাকে ঐশী ধন্যবাদ জানান এবং দর্শকদের বলেন, ‘সিনেমাটি দেখে রিফ্রেসমেন্ট পাবেন।’
অপুও শুরু করেন মজা করেই। বলেন, ‘মীর সাব্বির ভাই এত নাটক করেছেন, কিন্তু আমাকে কখনই নেয় নাই। তবে তার প্রথম সিনেমাতেই সুযোগ পেয়েছি, এ জন্য তাকে ধন্যবাদ। এ সিনেমায় সাব্বির ভাইকে নতুন করে আবিষ্কার করেছি। তিনি জানেন তিনি কী করতে চান। খুবই আরাম পেয়েছি, তার সঙ্গে কাজ করে।’
রাত জাগা ফুল সিনেমাটি দেশের ২৫টি হলে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ৩১ ডিসেম্বর। সিনেমাটির প্রচারের অংশ হিসেবে ঢাকা ক্লাবে বুধবার রাতে নিজেদের অভিজ্ঞতাসহ সিনেমা নিয়ে নানা কথা জানান পরিচালক কলাকুশলীরা। সাংবাদিকদের অনেক প্রশ্নের উত্তর দেন তারা।
আয়োজনে মীর সাব্বির জানান, রাত জাগা ফুল নামটি রূপক অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে। সিনেমাটিতে দর্শক রোমান্স এবং অ্যাডভেঞ্চারের স্বাদ পাবেন।
মীর সাব্বির বলেন, ‘রাত শেষে যেমন আবার দিন আসে, তেমন কিছু বিষয় আছে সিনেমায়। আর এটি একটি গ্রামীণ প্রেক্ষাপটের সিনেমা।’
আয়োজন শেষে একটি ভিডিও প্রেজেন্টেশন দেখান মীর সাব্বির। যে ভিডিওটির শেষে দেখা যায় পরিবেশ এবং প্রাণীদের ভালোবাসার কথা।
এ সময় সিনেমার গানও শোনানো হয়। সিনেমার গানগুলো লিখেছেন মীর সাব্বির, সুর দিয়েছেন ইমন চৌধুরী। সিনেমায় প্রথমবারের মতো গান গেয়েছেন রাহুল আনন্দ। কলকাতার নচিকেতা গান গেয়েছেন সিনেমাটিতে এবং এর টাইটেল গানটি গেয়েছেন মমতাজ।
