স্পোর্টস আপডেট ডেস্ক- সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) রেডিসন ব্লুরতে অনুষ্ঠিত হয় বিপিএলের অষ্টম আসরের প্লেয়ার্স ড্রাফট। ড্রাফট থেকে ছয়টি দল তাদের স্কোয়াড সাজিয়েছে। তবে উপেক্ষিত রয়ে গেছেন বেশ কয়েকজন আলোচিত ক্রিকেটার।
সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুলকে দলে নিতে আগ্রহ দেখায়নি কোনো দল। দল পাননি জাতীয় দলের আরও কয়েকজন তারকা নাসির হোসেন, জুনায়েদ সিদ্দিকীর মত অভিজ্ঞ পারফর্মাররা।
এছাড়া জাতীয় দলের ওপেনার সাইফ হাসানকে দলে নেয়নি কোনো দল। উপেক্ষিত রয়ে গেছেন টেস্ট দলের নিয়মিত সদস্য আবু জায়েদ চৌধুরী রাহীও। দল পাননি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী দলের ক্রিকেটার তানজিদ হাসান তামিম, শাহাদাত হোসেন দিপু ও হাসান মুরাদ। এমনকি আলোচিত লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম বিপ্লবও জায়গা পাননি বিপিএলের কোনো দলে।
এছাড়া দল না পাওয়া ক্রিকেটারদের মধ্যে রয়েছেন জাকির হাসান, এনামুল হক জুনিয়র, আনিসুল ইসলাম ইমন, শাহাদাত হোসেন রাজিব, তানবীর হায়দার, সোহরাওয়ার্দী শুভর মত ক্রিকেটাররা।
প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে দোষটা ভাগ্যের ওপরই দিলেন মোহাম্মদ আশরাফুল। সঙ্গে শোনালেন আক্ষেপের কথাও। এনিয়ে টানা দুই বিপিএলে দল পাননি এক সময় জাতীয় দলের তারকা খেলোয়াড়।
ফিক্সিং ইসু্যতে নিষেধাজ্ঞা থেকে ফেরার পর ২০১৯ সালের বিপিএলে চিটাগাং ভাইকিংসের হয়ে খেলেছিলেন আশরাফুল। কিন্তু আশানুরূপ খেলতে পারেননি। সবশেষ টি-২০ ম্যাচ খেলেছিলেন গত ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল)। শেখ জামালের হয়ে ১৩ ম্যাচে ২৬.৪৫ গড়ে ২৯১ রান করেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। কিন্তু তা আকর্ষণীয় লাগেনি বিপিএলের কোনো দলের কাছে।
দল না পেয়ে আশরাফুল বলেন, ‘টিম পাওয়াটা তো খুব ভাগ্যের বিষয়। খেলোয়াড় আছে ২১০ জনের মতো, দল পায় ৬০-৭০ জন। তাছাড়া বয়সও হয়েছে। এখন তো তরুণদের যুগ। তামিম, মাশরাফি ওদের মতো হলে ভিন্ন কিছু হতো। আমরা তো অচল। ভাগ্যে নেই।’
আশরাফুলের মতো দল পাননি নাসির হোসেনও। জাতীয় দলে ফেরার অপেক্ষায় থাকা এই অলরাউন্ডার বলেন, ‘একটু তো অবশ্যই খারাপ লাগে। ফিট হচ্ছিলাম বিপিএল খেলার জন্য। মানুষ মনে করছে আমি ইনজুরিতে। এ কারণে হয়তো বা নেয়নি। ইটস ওকে, হাতে কিছুটা ব্যথা ছিল।’
