অবশেষে ‘বঙ্গবন্ধু’র লুকে দেখা মিললো আরিফিন শুভর

বিনোদন ডেস্ক- ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে মুম্বাইয়ের দাদাসাহেব ফিল্ম সিটিতে শুরু হয় বহুল আলোচিত ‘বঙ্গবন্ধু’ ছবির দৃশ্যধারণ। সেই থেকে আজ অবধি বলিউড নির্মাতা শ্যাম বেনেগালের কড়া নির্দেশনা গলিয়ে ছবির শিল্পীদের চেহারা বাইরের কেউই দেখতে পায়নি।

 

জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী নির্ভর এ ছবিতে বঙ্গবন্ধু চরিত্র তো বটেই, শেখ হাসিনাসহ জাতীয় চার নেতার রূপটিও তাই ছিল কাঙ্ক্ষিত। অবশেষে সেগুলোই সামনে এলো।

 

নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ঢাকা কলেজে চলা শুটিংয়ের একটি স্থিরচিত্র সামনে এসেছে সম্প্রতি। যেখানে দেখা যায়, ৭ মার্চের বক্তব্যে কোনও এক মুহূর্তে বঙ্গবন্ধুরূপী আরিফিন শুভকে। মঞ্চে উপস্থিত মাওলানা ভাসানীসহ জাতীয় চার নেতাও।

 

বিশেষ করে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় নেতাদের চেহারা একেবারের মানিয়ে গেছে। স্থিরচিত্রটি নিয়ে অন্তর্জালে তৈরি হলো প্রচুর আগ্রহ। তবে এই ছবিটি কেমন করে অন্তর্জালে প্রকাশ হলো, সেটি সিনেমা সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

 

এদিকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে জীবনীভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘বঙ্গবন্ধু’র শুটিং শেষ হয়েছে। গত শনিবার (১৮ ডিসেম্বর) ছবির বাংলাদেশ অংশের শুটিং শেষ হয়। বঙ্গবন্ধুর জন্মস্থান টুঙ্গিপাড়া ও সাভার এলাকায় শুটিংয়ের মাধ্যমে শেষ হয় বাংলাদেশ অংশের কাজ।

 

জানা যায়, এরপর ভারতের মুম্বাইয়ে আরও ৭-৮ দিন কাজ করে শেষ হবে পুরো ছবির শুটিং। এমনটাই জানিয়েছেন এই বায়োপিকের বাংলাদেশ অংশের লাইন প্রডিউসার মোহাম্মদ হোসেন জেমী।

 

ছবিটি নিয়ে খুব বেশি তথ্য জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন মোহাম্মদ হোসেন জেমী। তিনি বলেন, ‘এ ছবি নিয়ে অনেক কিছুই বলার আছে। তবে এখনই বলার অনুমতি নেই আমাদের। এতটুকু বলতে পারি, শুটিং শেষ হলেও পোস্ট প্রোডাকশনের অনেক কাজ বাকি আছে। যদিও শুটিংয়ের পাশাপাশি পোস্ট প্রোডাকশনের কাজও সমান গতিতে চলছে। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে শুটিং বলে গ্রাফিকসের প্রচুর কাজ রয়েছে।’

 

শেষ দিনের শুটিং প্রসঙ্গে জেমী বলেন, ‘দুই ইউনিট দুই জায়গায় শুটিং করেছে। শেষ দিনে একটি ইউনিট টুঙ্গিপাড়ায়, আরেকটি ইউনিট সাভারে কাজ করেছে। শেষ দিনে বড় কোনো তারকার শুটিং ছিল না। ইন্ডিয়ান আর্মি, পাকিস্তান আর্মি ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কিছু দৃশ্যের শুটিং হয়েছে এদিন।’

 

গত নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে ছবির পরিচালক শ্যাম বেনেগাল ঢাকায় আসেন। ২১ নভেম্বর থেকে ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় ছবির শুটিং শুরু করেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হল ও রেজিস্ট্রার ভবন এলাকায় ছবির বাংলাদেশ অংশের দৃশ্য ধারণ শুরু হয়। ঢাকা কলেজের মাঠে নির্মাণ করা হয় ৭ মার্চের ভাষণের সেট। এরপর ঢাকার বেশ কয়েকটি এলাকায় শুটিং হয়। বাংলাদেশ অংশের শুটিংয়ের জন্য ভারত থেকে শতাধিক কলাকুশলী ঢাকায় এসেছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *