বিনোদন ডেস্ক- ভারতের নন্দিত ও জনপ্রিয় নির্মাতা সৃজিত মুখার্জির নামটি আগের চেয়ে এখন অনেক বেশি চর্চিত হয় বাংলাদেশে। কারণ ২০১৯ সালের ৬ ডিসেম্বর তিনি বিয়ে করেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী, সমাজকর্মী ও পিএইচডি গবেষক রাফিয়াত রশিদ মিথিলাকে। তারপর বেশ সুখেই ঘর-সংসার চলছে দম্পতির। তবে বিয়ের পর বাংলাদেশে কাজ করা বন্ধ করে দেননি মিথিলা। কলকাতা-ঢাকা দুই জায়গাতেই চলছেন ব্যালেন্স করে।
এদিকে সম্প্রতি বাংলাদেশে এসে প্রথম আলো অনলাইনে ‘বড় মঞ্চের তারকা’ অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে এসেছিলেন মিথিলা। এতে চঞ্চালক ছিলেন অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমা।
পূর্ণিমার সঙ্গে আলাপের একপর্যায়ে গানের প্রসঙ্গ আসতেই কিছুটা লজ্জা পেলেন মিথিলা। জানান, অরুণ (চৌধুরী)দা আমাকে একটা গান গাইতে বলেছে। সিনেমাটিতে রোমান্টিক ডুয়েট একটা গান আছে। খুব সুন্দর একটা গান। আমি দাদাকে বলেছি, আমি তো গানটা ওইভাবে গাই না। এখন অনুশীলনও করি না। আমি প্রথমে গানটা গেয়ে দেখব, আমার গলায় কেমন শোনায়, যদি শুনে দেখি ভালো শোনাচ্ছে, তাহলে সিনেমার জন্য গাইব। আর যদি শুনে মনে হয় খুব খারাপ হয়েছে, তাহলে অন্য কেউ গাইবে।’
মিথিলার এ কথা শুনেই পূর্ণিমার অনুরোধ, ‘সেখানে তো পরে গাইবে, এখন দর্শকদের একটু গেয়ে শোনাও।’ গিটার ছাড়া গাইতে পারি না, মিথিলার এই অনুযোগও টিকল না, তাঁকে একটা গিটার দেওয়া হলো। গিটার কোলে নিয়ে মিথিলা এবার গেয়ে শোনালেন ডোরিস ডে–র সেই বিখ্যাত গান ‘কে সেরা সেরা’।
গান শেষে পূর্ণিমার উদ্দেশে মিথিলা বলেন, ‘আজকের তোমার অতিথি হিসেবে সৃজিত (মুখার্জি) থাকলেই ভালো হতো।’ পূর্ণিমাও কম যান না, ‘সামনাসামনি হলেই ভালো হতো, একটা ছবি চেয়ে নিতাম। পরবর্তী সিনেমায় বউকে না নিলে যেন আমাকে নেয়, এমন আবদার করতাম।’
মুম্বাইয়ে সৃজিত মুখার্জির সিনেমা ‘শাবাশ মিঠু’র শুটিং চলার সময় সেখানে গিয়েছিলেন মিথিলা। মুম্বাইয়ের অভিজ্ঞতা জানতে চাইলে মিথিলা বলেন ‘আমি অবশ্য শুটিং দেখতে মুম্বাই যাইনি। আমি গিয়েছিলাম সৃজিতের কাছে। “শাবাশ মিঠু”র শুটিংয়ের সময় আমি কলকাতাতেই ছিলাম।
ঢাকা থেকে কলকাতা গিয়েও আমাদের একসঙ্গে থাকা হচ্ছিল না, সে কারণেই আমি আর আমার মেয়ে আয়রা মুম্বাইয়ে গিয়েছিলাম। শুটিংয়ে আমি এক দিনই গিয়েছিলাম। বেশির ভাগ সময় আমরা হোটেলেই ছিলাম। আয়রার অনলাইনে ক্লাস ছিল, আমার হোম অফিস। তাই সেখানের শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা আমার নেই বললেই চলে।’
