বিনোদন ডেস্ক- শুরু হয়েছে বাংলাদেশ-তুরস্কের যৌথ প্রযোজনার নেত্রী- দ্য লিডার সিনেমার দ্বিতীয় লটের শুটিং। সাভারে চলছে এর দৃশ্যধারণ। এতে অংশ নিয়েছেন অনন্ত জলিল, বর্ষা, ভারতের প্রদীপ রাওয়াত, তরুণ আরোরাসহ অনেকে।
সিনেমায় নেত্রী চরিত্রে অভিনয় করছেন বর্ষা এবং তার বডিগার্ডের চরিত্রে অনন্ত জলিল। সম্প্রতি শুটিং সেটে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন বর্ষা।
ছবিটিতে নিজের চরিত্র নিয়ে বর্ষা বলেন, ‘আমি ধরেই নিয়েছি এমন চরিত্রে আমার জীবনে কাজের সুযোগ হয়তো আর আসবে না। আর বাস্তব জীবনেও হবে না। বাস্তব জীবনে আমার নেত্রী হওয়ার ইচ্ছেও নেই। তাই সিনেমাটিতে আমার নেত্রী চরিত্রটি ফুটিয়ে তুলতে যা যা করার দরকার তার সব করছি।’
অ্যাকশন পলিটিক্যাল সিনেমা ‘নেত্রী দ্য লিডার’। এ ছবিতে বর্ষা একজন রাজনৈতিক দলের নেত্রী। অনন্ত জলিল হচ্ছেন তার দেহরক্ষী। কথা উঠেছে সিনেমাটিতে অভিনয় করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ফলো করছেন বর্ষা। প্রধানমন্ত্রীর মতো করে ‘গেটআপ’ নিচ্ছেন সিনেমায়।
বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলে বর্ষা বলেন, ‘এমন একটি চরিত্র পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে কাউকে না কাউকে ফলো করতেই হবে। আর আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীর লাইফস্টাইল আমার অনেক আগে থেকেই খুব পছন্দের। তার সুন্দর হাসি, সুন্দর করে শাড়ি পরা, শাড়ির সঙ্গে ম্যাচিং করে অর্নামেন্স পরা। বিষয়গুলো আমার দারুণ লাগে। তার কথা বলার স্টাইল, তার ফ্যাশন সচেতনতা সব কিছুই আমাকে টানে। তাহলে পর্দায় যদি নেত্রীকে আমি রোল মডেল হিসেবে দেখি, তাকে ফলো করে নিজের চরিত্রটি ফুটিয়ে তুলতে চেষ্টা করি এটা তো দোষের কিছু না।’
তবে সিনেমায় নিজের চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রীকে ফলো করলেও সিনেমার গল্পে প্রধানমন্ত্রীর জীবনের কিছু নেই বলেই জানালেন বর্ষা।
ছবিটিতে নিজের চরিত্রটি নিয়ে দারুণ পরিশ্রম করছেন বলে জানালেন এই নায়িকা। প্রতিটি ক্ষেত্রে সচেতন থাকতে হচ্ছে তাকে। এক্ষেত্রে অনন্ত জলিলও একচুল ছাড় দিচ্ছেন না। সিনেমায় নেত্রীর চরিত্রে বর্ষা অভিনয় করলেও নেত্রী হতে দিনরাত খাটছেন অনন্ত। চলচ্চিত্রে নেত্রীর অফিস, কনফারেন্স রুম ডিজাইন, অন্যান্য শিল্পীদের ড্রেস, লুক সবকিছু্ই দেখভাল করছেন অনন্ত।
বর্ষা বলেন, সিনেমায় অনন্ত জলিল নেত্রীর দেহরক্ষী হিসেবে দেখা যাবে। সর্বদা নেত্রীর সঙ্গে থাকা, তার বিপদে আপদে থাকেন সে। সিনেমার শুটিংও অনন্ত নেত্রী হতে আমাকে দারুণ সহযোগিতা করছেন।
তিনি বলেন, দ্য লিডার সিনেমার দ্বিতীয় ধাপের শুটিং শুরু করে যেটা মনে হচ্ছে, এত কষ্ট এত যন্ত্রণা এত চ্যালেঞ্জিং একটা ক্যারেক্টার আমার। খুব বেশি কষ্টে থাকলে মানুষ যেমন সবকিছু ছেড়ে দিয়ে বসে যায়, একা হয়ে যায়। আমার কাছে তেমনটাই মনে হচ্ছে।
নায়িকা বলেন, ইয়াং একজন লিডার। সে কীভাবে তার জীবন, তার ফ্যামিলি, তার স্বামী, তার সংসার, তার সবকিছুকে ব্যালেন্স করে মানুষের জন্য কাজ করা, দেশের জন্য কাজ করা। ভীষণ ভালো লাগছে। বিদেশি আর্টিস্টের সঙ্গে আগেও কাজ করেছি, এবার অন্য রকম অভিজ্ঞতা অবশ্যই।
‘প্রদীপ রাওয়াত স্যার, আপনার সবাই চেনেন, বাংলাদেশেও তিনি অনেক পরিচিত। তরুণ আরোরাও ঢাকাতে আছেন। তারা এত বেশি হেল্পফুল! কোনো সমস্যা হলে বুঝিয়ে দেবে, ম্যাডাম জি এ রকম করে করেন। খুব ভালো লাগছে।’
