আমি খুবই ভাগ্যবান : তাসনিয়া ফারিন

বিনোদন ডেস্ক- হালের আলোচিত মডেল-অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিন ছোটবেলা থেকে গান আর নাচের তালিম নিয়েছেন। ইচ্ছে ছিল বড় হয়ে গান নিয়ে কাজ করার। কিন্তু হয়েছেন মডেল-অভিনেত্রী। বেশ কিছু বিজ্ঞাপন, নাটকে অভিনয় করে দর্শক হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন এই গ্ল্যামার কন্যা।

 

প্রথমবারের মতো একটি ধারাবাহিক নাটকে যুক্ত হতে যাচ্ছেন তিনি। কাজ ও ব্যক্তিজীবনের নানা বিষয় নিয়ে সম্প্রতি এক জাতীয় দৈনিকের সঙ্গে কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী। সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো-

 

প্রথমবারের মতো টিভি ধারাবাহিকে যুক্ত হচ্ছেন শুনলাম। এত দিন করেননি কেন?

এত দিন মনের মতো গল্প পাচ্ছিলাম না। যেসব পেয়েছি, সেসবের অংশ হতে চাইনি। সিঙ্গেল বা ধারাবাহিকের চেয়ে আমার কাছে জরুরি হলো গল্প। এবার একটা মনের মতো গল্প পেয়েছি। শুনে মনে হলো, আমি এই গল্পের অংশ হতে চাই।

 

গল্পের ভালো-মন্দ বাছাই করেন কী করে?

ভালো-মন্দ আসলে আপেক্ষিক। আমার কাছে যেটা ভালো লাগবে, অন্য কারও কাছে ভালো না–ও লাগতে পারে। আমি যেটা করি, গল্পটা পড়ে আমার আগ্রহ তৈরি হচ্ছে কি না, চরিত্রটায় নিজেকে কল্পনা করতে পারছি কি না—এসব দেখি। মোটকথা, নিজের রুচি মেনেই কাজ করি বেশির ভাগ সময়।

 

এমনিতে অভিনয়জীবন কেমন লাগছে?

২০১৯ সাল থেকে নিয়মিত কাজ করছি। কেবল তিন বছর হলো। জীবনে খুব বেশি পরিবর্তন হয়নি, আবার অনেক কিছুই বদলে গেছে। আমি খুবই ভাগ্যবান যে এমন একটা পেশায় যুক্ত হতে পেরেছি, যেটা করে আমার ভালো লাগছে।

 

শুধুই কি ভালো লাগা? মন্দ লাগা কিছু নেই?

কাজটা পছন্দের। দেখা যায়, একটা পেশায় মানুষ বছরের পর বছর কাজ করে যায়, যেটা তার পছন্দের না। আমার ক্ষেত্রে সেটা হয়নি, এটাই বড় কথা। আমি খুবই আশাবাদী মানুষ। আমার মনে হয়, আমাদের কাজের জায়গা ধীরে ধীরে সম্প্রসারিত হচ্ছে। অনেক ভালো ভালো কাজের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। সঠিক সময়ে সঠিক সুযোগটা সবারই কাজে লাগানো উচিত। দৃঢ় বিশ্বাস ও ধৈর্য ধরে কাজ করে গেলে, যেকোনো পেশা, যেকোনো জায়গা, যেকোনো পরিস্থিতিতেই ভালো কাজটা বের করে আনা সম্ভব। আমি সেই চেষ্টাই করছি।

 

জনপ্রিয়তা উপভোগ করেন?

আমার কত ভক্ত বা আদৌ আছে কি না, আমি জানি না। আমি জানি না, কোথায় কী হচ্ছে। আমি আমার কাজটা নিয়ে ব্যস্ত থাকি। আমার যে কাজ করতে ভালো লাগে, সেটা যদি আরও দশজন মানুষের ভালো লাগে, সেটাই আমার সবচেয়ে বড় পাওয়া। আমি একটু অন্তর্মুখী ধরনের। তবে আমার মনে হয়, মানুষ আমাকে যদি দূর থেকে পছন্দ করে, সেটাই আমার বেশি ভালো লাগবে।

 

সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং যে করেন না, বন্ধুরা অসামাজিক বলে না?

ফেসবুক নেই, তবে ইনস্টাগ্রাম আছে। আমি কাজে এটাকে ব্যবহারের চেষ্টা করি। মানুষের সঙ্গে খুব বেশি ইন্টার‌্যাক্ট করি না, এটা আমার পছন্দ না। অবসর থাকলে নিজের মতো করে সময় কাটাই। এসবে আমি আগের মতোই আছি। খুব বেশি পরিবর্তন হয়নি। খুব একটা বন্ধু নেই আমার। যে কজন আছে, তারা যে যার কর্মক্ষেত্রে ব্যস্ত। যখন কাজ করতাম না, তখনো যে খুব ইন্টার‌্যাক্ট করতাম, তা না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *