বিনোদন ডেস্ক- আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদের ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ ৭৪তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের আঁ সার্তে রিগা বিভাগের জন্য নির্বাচিত হয়। পুরস্কার না জিতলেও প্রশংসা কুড়ায় সিনেমাটি। অবশেষে আজ শুক্রবার (১২ নভেম্বর) থেকে দেশের সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে এই সিনেমা।
তবে এর আগের দিন অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত ‘এশিয়া প্যাসিফিক স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ডসে’র (অ্যাপসা) ১৪তম আসরে বাংলাদেশের ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ সিনেমা যৌথভাবে গ্র্যান্ড জুরি প্রাইজ (দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ পুরস্কার) জিতেছে। একই সঙ্গে সিনেমাটির অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন জয় করেছেন সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার।
এবারের আসরে ২৫টি দেশের ৩৮টি সিনেমা লড়েছে অ্যাপসা পুরস্কারের জন্য। বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের গোল্ড কোস্ট শহরে বিজয়ীদের তালিকা ঘোষণা করা হয়। এসব নিয়েই এক জাতীয় দৈনিকের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সেই সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো-
অভিনন্দন
বাঁধন: ধন্যবাদ, ধন্যবাদ। রেহানা আমাকে নতুন জীবন দিয়েছে। আজকের এই পুরস্কার নিঃসন্দেহে আমার জন্য ভীষণ আনন্দের, আনন্দে চোখ ভিজে আসছে। আমি ইতিহাসের অংশ হতে পারলাম।
এমন একটি সময়ে ঘোষণা এল, যখন আপনারা ডিরেক্টরসহ পুরো টিম সিনেমাটির মুক্তি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন।
বাঁধন: আমাদের জন্য খুবই ভালো সময় ছিল। আমাদের এই অর্জন পুরোটাই ডিরেক্টর (আবদুল্লাহ মোহাম্মদ) সাদের। তিনি পুরো কাজটি করেছেন। আমি শুধু আমার কাজটা করে গেছি। পুরো টিম আমাকে সহায়তা করেছে। সবার কাছেই কৃতজ্ঞতা।
প্রথম আপনি সুখবরটি কখন, কার কাছ থেকে শুনেছেন?
বাঁধন: আমি সাদের কাছ থেকে আরও কিছুদিন আগে সুখবর শুনেছিলাম। গোপনীয়তা বজায় রাখতে বলতে পারিনি। আমি খুশিতে সেদিন আত্মহারা ছিলাম। তখন আমি স্পিচলেস ছিলাম। আমি একদম চুপ হয়ে গিয়েছিলাম। বুঝতে পারছিলাম না কী করব।
এই অর্জনকে কীভাবে দেখছেন?
বাঁধন: আমি অভিনয় জানি না। অভিনয়ের কোনো প্রশিক্ষণ নেই। এই জন্যই আমি বারবার নির্মাতা সাদকে কৃতিত্ব দিই। সেই আমার মধ্য থেকে অভিনয়টা বের করে এনেছেন। আমার এই অর্জনের পেছনে সবচেয়ে বেশি অবদান সাদের।
সিনেমার মুক্তির আগের দিন মানুষ জানল আপনার স্বীকৃতির কথা। কোনো চাপ বোধ করছেন?
বাঁধন: কী বলব, ঘটনা ঘটে গেল। কিছুটা চাপ তো অনুভব করছিই। কারণ, জীবনে প্রথমবার আমার সঙ্গে এই রকম ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে। তবে আমি খুবই আশাবাদী। দেশের মানুষ সিনেমাটি হলে এসে দেখলে রিলেট করতে পারবে।
