সমালোচকদের একহাত নিলেন মুশফিক

স্পোর্টস আপডেট ডেস্ক- সুপার টুয়েলভ পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আগে ব্যাট করে স্কোর বোর্ডে ১৭১ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ পায় দল। তবুও শ্রীলঙ্কার সঙ্গে পেরে উঠেনি টাইগাররা। ম্যাচ হেরেছে ৫ উইকেটের ব্যবধানে। এমনিতেই মাঠ এবং মাঠের বাইরের পারফরম্যান্সে টালমাটাল বাংলাদেশ দল। এমন অবস্থায় জয়ের আশা জাগিয়েও বাজে বোলিং আর ফিল্ডিংয়ের কারণে ম্যাচ হারতে হলো।

 

তবে কি সম্প্রতি যে সমালোচনা হচ্ছে টাইগার ক্রিকেট নিয়ে, তার প্রভাব পড়েছে দলে? সেটি অবশ্য মানতে নারাজ দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম। ম্যাচ হারের জ্বালা যেন জুড়াতে চাইলেন সংবাদ সম্মেলন কক্ষে। যেখানে সমালোচকদের একহাত নিয়ে বলেন, যারা সমালোচনায় মগ্ন, তারা যেন নিজেদের চেহারাটা আয়নায় দেখেন।

 

মুশফিকের জবাব, ‘মাঠের বাইরে তো নানা রকম কথা হবেই। ক্রিকেটার হিসেবে আপনি ভালো করলে সবাই তালি দিবে আর খারাপ করলে গালি দিবে, এটাই নিয়ম। আর এটা আমার জন্য প্রথম না। গত ১৬ বছর ধরে আমি এসব দেখে আসছি। আর যারা আমাদের নিয়ে এসব বলে তাদের উচিত নিজেদের চেহারা আয়নায় দেখা। কারণ তারা তো বাংলাদেশের হয়ে খেলে না। আমরা খেলছি। আমরা সবাই ভালো করার চেষ্টা করি, কোনোদিন হয় কোনদিন হয় না।’

 

এ ম্যাচে প্রশ্নবিদ্ধ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের কৌশল। শেষ ২ ওভারে লঙ্কানদের প্রয়োজন ছিল ১৩ রান। সাকিব আল হাসানের ১ ওভার বাকি থাকলেও মাহমুদউল্লাহ ১৯তম ওভারে নিয়ে আসেন নাসুম আহমেদকে। এ নিয়ে ম্যাচ শেষে উঠেছে প্রশ্ন।

 

মুশফিকের জবাব, ‘এটা আসলে ম্যাচের অংশ। উইকেট খুব ভাল ছিল। লেফটিরা সেট ছিল। ইনিংসের শেষদিকেই তো গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো হয়, তখন আমরা চেয়েছিলাম সাকিবকে আনব। কারণ শেষদিকেই তো কঠিন সময়টা আসে। আর সাকিব চ্যাম্পিয়ন বোলার, সে এই সব মুহুর্তের চাপ সইতে পারবে। আমরা এটা ভেবেছিলাম, এই হারের জন্য সাকিবকে বোলিংয়ে না আনাটা কারণ না। এখানে আমরা সঠিক সময়ে সুযোগ মিস করেছি এটাই কারণ।’

 

মুশফিক বলেন, ‘আমরা ১৭০ রান করে জেতার অবস্থায় ছিলাম। পরে আমরা সুযোগ নিতে পারিনি। ভাল বোলিং বা ফিল্ডিং করিনি। এটা সত্যি খারাপ লাগে যে, ভাল খেলে হারলে সে ভাল খেলার কোন মানে নেই। তবে আমাদের আত্মবিশ্বাস আছে, এই ফরম্যাটে বড় দল বা ছোট দল বলে কিছু নেই। সামনে একই ভাবে আমরা এগোতে চাই।

 

সুপার টুয়েলভে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ২৭ অক্টোবর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *