বাংলাদেশি ভক্তরা প্রতিদিনই আমাকে এসএমএস করে: কৌশানী

বিনোদন ডেস্ক- প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের ছবিতে অভিনয় করতে বাংলাদেশে এসেছেন টলিউড অভিনেত্রী কৌশানী মুখার্জি। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শাপলা মিডিয়া ইন্টারন্যাশনালের ব্যানারে “পিয়া রে” চলচ্চিত্রের শুটিংয়ের জন্যে বর্তমানে চাঁদপুরে রয়েছেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী।

 

বাংলাদেশে এসে আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমে কথা না বললেও দেশের অন্যতম জনপ্রিয় সংবাদপত্র দৈনিক প্রথম আলোকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন কৌশানী।

 

সেখানে তিনি বলেন, অনেক দিন থেকেই বাংলাদেশের ছবিতে কাজের প্রস্তাব পাচ্ছিলাম। কিন্তু করিনি। এমন একটি কাজ দিয়েই শুরুর অপেক্ষা করছিলাম। যে কাজ, যে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের কাজ, যে পরিচালকের সঙ্গে কাজ—কাজ শুরুর আগে এগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কলকাতা শাখার এই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের ‘ছুটি’ ও ‘লাগ ভেলকী লাগ’ নামে দুটি ছবিতে সম্প্রতি কাজ শেষ করেছি। ভালো অভিজ্ঞতা হয়েছে।

 

‘তা ছাড়া বাংলাদেশের ছবিতে কাজের আগ্রহও ছিল। কারণ, আমার কাজের বাংলাদেশি দর্শকও আছেন। প্রতিদিনই বাংলাদেশি ভক্তরা প্রচুর এসএমএস, মেইল পাঠান। ছোটখাটো আমার একটি ফ্যান ক্লাবও আছে এখানে। বাংলাদেশের ছবিতে কাজ করতে তাঁদেরও দাবি ছিল।’

 

বাংলাদেশের সিনেমা দেখা হয়? জানতে চাইলে কৌশানী বলেন, না, ওইভাবে আমার দেখা হয়নি। তবে ‘আগস্ট ১৯৭৫’ সিনেমাটি দেখেছি। এর বাইরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে মাঝেমধ্যে বাংলাদেশের ছবির কিছু ভিডিও ফুটেজ দেখা হয়। তবে এখন যেহেতু বাংলাদেশের ছবিতে কাজ করছি, এখন তো দেখতেই হবে।

 

কলকাতায় ফেরার সময়ে ইলিশ নিয়ে যাবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে হেসে কৌশানী বলেন, “প্রযোজকের কাছে দাবি করেছি, ফেরার সময় যেন আমাকে অনেকগুলো ইলিশ মাছ দেওয়া হয়। আমরা তো বাজার থেকে ইলিশ কিনে খাই। কিন্তু ওই ইলিশের জন্ম তো চাঁদপুরেই। টাটকা ইলিশ পাওয়া যাবে। আমার বাবা-মাকেও ইলিশের কথা বলে এসেছি। তারাও অপেক্ষা করছেন।”

 

শুধু যে কলকাতায় ফেরার সময়েই ইলিশ নিয়ে যাবেন তাই না, চাঁদপুরে বসেই ইলিশের স্বাদ নিতে চান এই টলিউড অভিনেত্রী। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমার শুটিং চাঁদপুরে। তবে সত্যিই যদি পরিচালক ও প্রযোজক আমাকে ছুটি দেন, তাহলে আমার কিছু প্রিয় জায়গায় ঘুরতে যাব। এখানে কিছু বন্ধুবান্ধবও হয়েছে। সেবার এসে রেস্তোরাঁয় খেতে গিয়েছিলাম। যদিও এবার ডায়েটে আছি, তারপরও অল্প অল্প করে কিছু খাবার খেতে চাই। বিশেষ করে ইলিশ।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *