বিনোদন ডেস্ক- জেলখানার লাল দেয়ালের ঘেরাটোপে ২৭ দিন কাটিয়ে অবশেষে মুক্ত বাতাসে নিঃশ্বাস নিলেন ঢাকাই ছবির আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি। বুধবার (০১ সেপ্টেম্বর) সকালে কারামুক্ত হন এ নায়িকা। সেদিন গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে শুভ্রবসনে হাস্যোজ্জ্বল ভঙ্গিতে বেরিয়ে আসেন অভিনেত্রী।
বুধবার পরীমনিকে একনজর দেখতে কারাফটকে লেগেছিল উৎসুক জনতার ভিড়। সংবাদ কভার করতে মিডিয়াকর্মীদেরও দেখা গেছে। উৎসুক জনতার ভিড় লেগেছিল পরীমনির বনানীর বাসার নিচেও। তবে এসব ভিড়ের মাঝে দেখা যায়নি চলচ্চিত্র শিল্পীদের ‘কল্যাণে’ কাজ করা বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কাউকেই।
এর আগে মাদক মামলায় গ্রেপ্তারের পর আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনির সদস্যপদ স্থগিত করে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি। ৭ আগস্ট বিকেলে এফডিসিতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেন সমিতির সভাপতি অভিনেতা মিশা সওদাগর।তিনি বলেছিলেন, ‘কোনো শিল্পীর ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডের দায় শিল্পী সমিতি নেবে না। আমরা আপাতত তার সদস্যপদ স্থগিত করেছি।’
১ সেপ্টেম্বর কারামুক্ত হয়ে বনানীর বাসায় ফিরেছেন পরীমনি। জামিনে মুক্ত হওয়ার পর পরীমনির সাময়িক স্থগিত থাকা শিল্পী সমিতির সদস্যপদের কী হবে, জানতে চাওয়া হয়েছিল সভাপতি মিশা সওদাগরের কাছে।
তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা কার্যনির্বাহী কমিটি যেভাবে সভা করে পরীমনির সদস্যপদ সাময়িক স্থগিত করেছিলাম, একইভাবে কার্যনির্বাহী কমিটি সভা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সমিতির পক্ষ থেকে তাকে আত্মপক্ষ সমর্থন করার জন্য একটি চিঠি দিয়েছিলাম। সে চিঠির উত্তর পাইনি। তবে ওসব চিঠি ব্যাপার না, তিনি ভালোভাবে ফিরে আসুক এটাই আমাদের চাওয়া। তাছাড়া আমরা সেই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিলাম, তার শুটিং করতে কোনো বাধা নেই।’
ব্যক্তি মিশা সওদাগর পরীমনিকে ওয়েলকাম জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এটা তো গেল সমিতির কথা। ব্যক্তিগতভাবে আমি পরীমনিকে স্বাগত জানাই, তার সুস্থতা কামন করি।’
কার্যনির্বাহী কমিটির সভা কবে হবে তা জানাতে পারেননি মিশা সওদাগর। তিনি বলেন, ‘জলদি এ সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’
