পরীমনির প্রতি শ্রদ্ধা-ভালোবাসা আরও দ্বিগুণ হয়ে গেল: রাজ রিপা

বিনোদন ডেস্ক- জাতীয় ব্যাডমিন্টন দলের সদস্য ছিলেন রাজ রিপা। খুলনা বিভাগে চ্যাম্পিয়নও হয়েছিলেন। ব্যাডমিন্টনকে বিদায় জানিয়ে এখন চলচ্চিত্রে ক্যারিয়ার গড়তে চাইছেন এই নবাগতা।

‘দহন’ সিনেমায় একটি ছোট চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। গত বছরের শেষ দিকে শুরু করেন ইফতেখার চৌধুরী পরিচালিত ‘মুক্তি’ ছবির কাজ। আর মাত্র একটি গান ও কয়েকটি দৃশ্যে শুটিং বাকি আছে বলে জানালেন ঢালিউডের এই নতুন নায়িকা।

অল্প সময়ের এই অভিনয়জীবনে চিত্রনায়িকা পরীমনির সঙ্গে তাঁর কখনোই দেখা হয়নি। রিপা বললেন, ‘“স্ফুলিঙ্গ” ছাড়া পরী আপুর সব ছবিই আমার দেখা। তিনি আমার ভীষণ পছন্দের একজন মানুষ।’ তাই পরীমনি যখন কারাগারে আটক ছিলেন, তাঁর মুক্তির দাবিতে করা মানববন্ধনে অংশ নেন তিনি।

কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার রাতে পরীমনির সঙ্গে তাঁর বনানীর বাসায় দেখা করতে যান রাজ রিপা। সব মিলিয়ে তিনি ঘণ্টাখানেক ছিলেন। রাজ রিপা জানালেন, ‘তবে কখনো কথা না বলায় কিছুটা ভুলও বুঝেছিলাম। সামনাসামনি দেখার পর তাঁর প্রতি আমার সব ধরনের ভুল ধারণা এবার ভেঙে গেছে। আপু যে সত্যিকার অর্থে একজন ভালো মনের মানুষ, আমি ভালোভাবেই উপলব্ধি করলাম।’

আলাপের একপর্যায়ে পরীমনি তাঁর পা থেকে সোনার পায়েল খুলে তাঁকে উপহার দেন। পরীমনির কাছ থেকে এভাবে উপহার পাবেন, কখনো ভাবেননি রাজ রিপা। জানালেন, ‘আমি সত্যিই ভীষণ অবাক হয়েছি।’

পরে নিজের ফেসবুকে এক পোস্টে রাজ রিপা লেখেন, এভাবে “ছোট বোন” বলে ডাকলা পরীমনি আপি। তাহলে আমার “বড় বোন” ডাক নামটা ব্যর্থ হয়নি। তোমাকে খুব কাছে থেকে দেখার পর আমার কিছু ভুল ধারণার পরিবর্তন হয়েছে। শ্রদ্ধা-ভালোবাসা আরও দ্বিগুণ হয়ে গেল।’

পরে গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘একটা মানুষ এত মিষ্টি হয় কীভাবে! তিনি আমাকে যেভাবে সম্মান জানালেন, আপ্যায়ন করলেন, আমি মুগ্ধ হয়েছি!’ রিপা জানান, এর আগে কখনও পরীমনির সঙ্গে তার দেখা হয়নি। তবে ভালোবাসা থেকেই পরীমনির মুক্তির জন্য শাহবাগে মানবন্ধনে অংশ নিয়েছিলেন।

রিপা বলেন, ‘পরীমনিকে বড় বোনের মতো সম্মান করি। আপি বলে ডাকি। সেদিন তিনি আমাকে বললেন, ‘আপি ডাকটা তুই খুব মন থেকে ডাকিস। তুই আমার ছোট বোন।’ এ কথা বলেই নিজের পা থেকে সোনার পায়েল খুলে আমাকে দেন তিনি।’

পরীমনির এমন উপহার দেয়ার ঘটনা কম নয়। এ ছাড়া তিনি যখন যেভাবে পেরেছেন, সহশিল্পীদের সহযোগিতা করেছেন বলে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে। কখনো তিনি সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কাছে ছুটে গেছেন, কখনো আবার এফডিসিতে কোরবানি দিয়ে অসহায় শিল্পী-কলাকুশলীদের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *