বিনোদন ডেস্ক- জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমনি মাদক মামলায় তিন দফা রিমান্ড শেষে কারাগারে আছেন। গত ৫ আগস্ট তাকে বনানীর বাসা থেকে মাদকসহ আটক করে র্যাবের একটি দল। এর ২৫ দিন পর চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি এ বিষয়ে বিবৃতি দিয়েছে।
সমিতির বিবৃতিতে অবিলম্বে পরীমনিকে জামিন দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে তারা দাবি করেছে যে এই সময়ে তারা পরীর সঙ্গে নানাভাবে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে।
সমিতির সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান স্বাক্ষরিত এ বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি ঘটনার সত্যতা না জেনে তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকে। চেষ্টা সত্ত্বেও পরীমণির বিষয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। আর পরীমণি বড় শিল্পী হওয়ায় সত্য-মিথ্যা খুঁজে বের করা আরও কঠিন হয়ে পড়ে।’
চিঠিতে সমিতির পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়, ‘আমরা সমিতিগতভাবে পরিষ্কার জানাতে চাই, পরীমণি আমাদের প্রিয় শিল্পী। তার গ্রেফতারে বাড়াবাড়ি করা হয়েছে। জামিন পেলে তিনি পালিয়ে যাবেন বলে একজন আইনজীবী পত্রিকায় যে মন্তব্য করেছেন তা সঠিক নয়। পরীমণি আমাদের দেশের জনপ্রিয় শিল্পী। তিনি যে মামলার আসামি তাতে তাকে জামিন দিয়ে এটি পরিচালনা হতে পারে। তিনি দোষী নাকি নির্দোষ তা আদালতে প্রমাণ হবে। কিন্তু জামিন পাওয়ার আইনি এখতিয়ার পরীর আছে। সুতরাং আমরা মনে করি, পরীমণিকে অবিলম্বে জামিন দিয়ে সত্য-মিথ্যা প্রমাণের সুযোগ দেওয়া হোক। তার প্রতি সুবিচার হোক।’
উল্লেখ্য, ৪ আগস্ট চিত্রনায়িকা পরীমনির বনানীর বাসায় অভিযান চালিয়ে বিপুল মদ ও মাদকসহ তাকে আটক করে র্যাব। সেদিনই বনানী থানায় আলোচিত এই অভিনেত্রীর নামে মাদক আইনে একটি মামলা হয় এবং তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সেই মামলায় তিন দফার রিমান্ড শেষে পরীমনি গত ১৮ দিন ধরে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে বন্দি আছেন।
এই সময়ের মধ্যে নিম্ন আদালতে একাধিক বার আবেদন করেও জামিন পাননি। পরে নায়িকা হাইকোর্টের দারস্থ হন। হাইকোর্ট পরীমনির জামিন শুনানি দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেয়। সেই মতো আজ মঙ্গলবার দুপুরে তার জামিন শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
