ব্যালন ডর র‍্যাঙ্কিংয়ে এখনও সেরা লিওনেল মেসি

স্পোর্টস আপডেট ডেস্ক- ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে মাইলস্টোন বছর কাটাচ্ছেন লিওনেল মেসি। প্রথমবারের মতো জাতীয় দলের হয়ে বড় কোনো আন্তর্জাতিক শিরোপা জিতেছেন এই আর্জেন্টাইন তালিসমান। দেশকে ২৮ বছর কোপা আমেরিকা এনে দেয়ার এক মাস পরই পুরো বিশ্বের মনোযোগ কেড়ে নেয়া এক দলবদলে বার্সেলোনার ছেড়ে যোগ দিয়েছেন প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ে (পিএসজি)।

 

প্যারিস তাকে রাজার মতোই স্বাগত জানিয়েছে। বরণ করে নিয়েছে অনন্য মর্যাদায়। ফ্রান্সের সেরা দলটির হয়ে মাঠেও নেমেছেন মেসি। পুরো বছরটা সোনায় মোড়ানো থাকবে যদি সপ্তমবারের মতো ব্যালন ডরটাও জিততে পারেন পিএসজির নতুন নম্বর থার্টি।

 

তবে সেই আনন্দে পানি ঢেলে দিতে পারেন চেলসি ও ইতালির মিডফিল্ডার জর্জিনিয়ো। ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ ও ইউরো জেতার পর জর্জিনিয়ো নির্বাচিত হন ইউরোপের বর্ষসেরা ফুটবলার।

 

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফুটবল সাইট গোল ডটকম তাদের এক প্রতিবেদনে দেখিয়েছে জর্জিনিয়ো খুব কাছে চলে এসেছেন মেসির। ব্যালন ডর পাওয়ার র‍্যাঙ্কিংয়ের সবশেষ খবর প্রকাশ করেছে তারা।

 

সেখানে দেখা যাচ্ছে ব্যলন ডর জেতায় বোদ্ধা ও সাবেকদের চোখে সেরা পাঁচে মেসি ছাড়াও আছেন রোমেলু লুকাকু, এনগোলো কান্তে, জর্জিনিয়ো ও রবার্ট লেওয়ানডোভস্কি।

 

লুকাকু ইন্টার মিলানকে ১০ বছর পর ইতালির সেরি আ জেতাতে মূল ভূমিকা রাখেন। কান্তে চেলসির চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ে ছিলেন মাঝমাঠের অন্যতম সৈনিক আর লেওয়ানডোভস্কির গোলের সামনে ভয়ংকর চেহারা বায়ার্ন মিউনিখকে এনে দিয়েছে তাদের টানা নবম বুনডেসলিগা শিরোপা।

 

মৌসুমে গার্ড মুলারের ৪০ গোলের রেকর্ড ভেঙ্গে ৪১ গোল করেছেন লেভা। আর জর্জিনিয়ো তো বিশেষজ্ঞদের চোখে হয়ে উঠেছেন মেসিরই প্রতিদ্বন্দ্বি।

 

তবে পাওয়ার র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি এখনও আর্জেন্টাইন মহাতারকার দখলে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জর্জিনিয়ো কাছাকাছি চলে আসলেও, মেসি এই বছর ব্যালন ডর না জিতলে সেটি হবে দূর্ঘটনা।

 

মেসি এর আগেও ছয়বার বিশ্বসেরা ফুটবলারের এই খেতাব পেয়েছেন। প্রথমবার পান ২০০৯ সালে।

 

এরপরের তিনবারসহ টানা চারবার এই পুরস্কার পান মেসি। এরপর ২০১৫ ও ২০১৯ সালেও জিতেছেন তিনি। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে ২০২০ সালে স্থগিত করা হয় হয় ব্যালন ডর। সেটি আবার ফিরছে ২০২১ সালে।

 

ডিসেম্বরে জানা যাবে মেসি তার সপ্তম ট্রফি উঁচিয়ে ধরছেন না জর্জিনিয়ো কোনো অঘটন ঘটিয়ে ফেলেছেন।

 

উল্লেখ্য, ফুটবলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পুরস্কার ব্যালন ডি’অর। ১৯৫৬ সাল থেকে তা দিয়ে আসছে ফরাসি ফুটবল পত্রিকা ফ্রান্স ফুটবল। আগে এটি European Footballer of the Year বা ‘ইউরোপীয় বর্ষসেরা ফুটবলার’ নামে পরিচিত ছিল। বার্ষিক ভিত্তিতে বিগত এক বছরের খেলার মানের ওপর নির্ভর করে এ পুরস্কার দেয়া হয়।

 

পুরস্কারটি পেতে হলে খেলোয়াড়কে অবশ্যই উয়েফা অনুমোদিত কোনো ক্লাবে খেলতে হবে। ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত কেবল ইউরোপীয় জাতিভুক্ত খেলোয়াড়রাই ব্যালন ডি’অর পেতেন। এ পুরস্কারের জন্য ভোট দেন ইউরোপের ফুটবল সাংবাদিকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *