আন্তর্জাতিক ডেস্ক- আফগানিস্তানের কাবুল বিমানবন্দরে বিস্ফোরণে যুক্তরাষ্ট্রের ১৩ সেনা নিহত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পেন্টাগন। পাশাপাশি ৬০ আফগান নাগরিক হামলায় নিহত হয়েছে। এ ছাড়া আরও ১৮ সেনা হামলায় আহত হয়েছে বলে জানায় পেন্টাগন।
পেন্টাগনের সেন্ট্রাল কমান্ড মুখপাত্র ক্যাপ্টেন বিল আরবান এক বিবৃতিতে বলেন, অ্যাবে গেটে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ১৩ সেনা নিহত ও আরও অনেকে আহত হয়েছেন।
দেশটি বলছে, তাদের ১৩ সেনা ও ৬০ আফগান নিহতের পাশাপাশি বিস্ফোরণে অসংখ্য মানুষ আহত হয়েছে।
হামলার ঘটনায় দায় স্বীকার করেছে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট বা আইএস।
জঙ্গিদের মুখপাত্র আমাক নিউজ এজেন্সির টেলিগ্রাম চ্যানেলে এই দায় স্বীকার করা হয়েছে। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।
আমাক নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, কাবুল বিমানবন্দরের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যারন ক্যাম্প এলাকায় পৌঁছাতে সক্ষম হয় আইএসের এক আত্মঘাতী বোমারু। সে মার্কিন বাহিনীর অনুবাদক এবং সহযোগীদের বিশাল জটলায় পৌঁছে বিস্ফোরক বেল্টটি বিস্ফোরিত করে।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, পেন্টাগন বলছে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
হামলার পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হামলাকারীদের বিরুদ্ধে চরম প্রতিশোধ নেয়ার ঘোষণা দেন।
তিনি নিশ্চিত করে বলেন, হামলাটি করেছে আফগানিস্তানে ইসলামিক স্টেট খোরাসান প্রদেশ, আইএসকেপি (আইএসআইএস-কে) যারা আইএসআইএল (আইএসআইএস) জঙ্গি গোষ্ঠীর সমর্থনপুষ্ট।
প্রতিশোধ নেয়ার ঘোষণা দিয়ে বাইডেন বলেন, ‘আমরা আপনাকে শিকার করব, এর জন্য আপনাকে মাশুল দিতে হবে। আমি আমার প্রতিটি আদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের স্বার্থ রক্ষা করার কথা বলব।’
পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কিরবে বলেন, ‘বিস্ফোরণটি কাবুল বিমানবন্দরের অ্যাবে গেট এবং আরেকটি ব্যারেন হোটেলের কাছে হয়। এর মধ্যে একটি আত্মঘাতী হামলা।’
