নজর২৪ ডেস্ক- নানা নাটকীয়তার পর অবশেষে হাটহাজারী মাদ্রাসার কবরস্থানেই দাফন করা হয়েছে হেফাজতে ইসলামের প্রয়াত আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে। বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে তার মরদেহ দাফন করা হয়।
দাফন নিয়ে শুরু থেকে ধোঁয়াশা থাকলেও জানাজার পর ছাত্রদের চাপের মুখে বাবুনগরীর মরদেহ হাটহাজারী মাদ্রাসার কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় কবরস্থানের মূল ফটকের সামনে বাবুনগরীর পরিবারের সদস্য ও ভক্তদের হৈচৈ করতে দেখা যায়।
এর আগে বাবুনগরীর দাফন গ্রামের বাড়িতে নাকি হাটহাজারী মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় হবে—তা নিয়ে কয়েক দফায় বৈঠক হয়। সবশেষ গ্রামের বাড়িতে দাফনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
যদিও শুরুতে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে দাফনের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। ওই সময়ে হেফাজতের নায়েবে আমির সালাউদ্দিন নানুপুরী জানিয়েছিলেন, হেফাজতের সাবেক আমির প্রয়াত আল্লামা শফিকে যে কবরস্থানে দাফন করা হয়েছিল সেখানেই দাফন করা হবে বাবুনগরীকে।
বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ২৭ মিনিটে হাটহাজারীর ডাক বাংলোর সামনে জুনায়েদ বাবুনগরীর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর মামা ও হেফাজতের ভারপ্রাপ্ত আমীর আল্লামা মহিবুল্লাহ বাবুনগরী।
জানাজায় মানুষের উপস্থিতি বেশি হওয়ায় মরদেহবাহী গাড়ি দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদরাসা থেকে জানাজার আগে নিয়ে আসা হয় হাটহাজারীর ডাক বাংলোর সামনে। পরে সেখানে গাড়ি রেখে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। মাদরাসার ভেতর ও আশপাশের বিভিন্ন সড়কে দাঁড়িয়ে মানুষ জানাজায় অংশগ্রহণ করেন।
বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে হাটহাজারী মাদরাসায় বাবুনগরীর মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি নিয়ে আসা হয়। এর আগে মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি ফটিকছড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে পরিবারের সদস্যদের দেখিয়ে রাতে হাটহাজারী মাদরাসায় নিয়ে আসা হয়েছে।
রাত সাড়ে নয়টার দিকে মাদরাসা প্রাঙ্গণে বিপুল লোকের ভিড় হয়। জানাজায় অংশ নিতে আসা মানুষজনকে তখন মাদরাসার বাইরে রাস্তায়ও অপেক্ষা করতে দেখা যায়।
