শিমুলিয়া ঘাটে মানুষের ঢল

নজর২৪, মুন্সিগঞ্জ- ঈদকে কেন্দ্র করে দেশের দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার ঘরমুখী মানুষ ভিড় করছে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে। সোমবার ভোর থেকেই ফেরিঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ সারি আর লঞ্চঘাটে যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে।

 

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিভিন্ন যানবাহনে চড়ে যাত্রীরা ঘাটে আসছেন। এদের মধ্যে মোটরসাইকেলে করে সবচেয়ে বেশি যাত্রীকে ঢাকা ছাড়তে দেখা গেছে। ফেরি ও লঞ্চে করে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছেন তারা।

 

অন্যদিকে, লঞ্চঘাটে সকাল থেকেই ছিল যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়। ঈদযাত্রায় কোনও স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই দেখা যায়নি। অর্ধেক যাত্রী ধারণের কথা থাকলেও আজও অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে লঞ্চগুলো চলাচল করছে।

 

এদিকে পদ্মার তীব্র স্রোত, গণপরিবহন ও ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ বাড়ায় ফেরিতে যানবাহন পারাপারে বেগ পেতে হচ্ছে। ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় অবস্থান করছে শতশত ব্যক্তিগত গাড়ি ও পণ্যবাহী ট্রাক। এছাড়া ঘাট অভিমুুখে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে শতশত পণ্যবাহী ট্রাক।

 

ঘাট কর্তৃপক্ষ বলছে, যানবাহন ও যাত্রী পারাপারে নৌরুটে বর্তমানে ১৫টি ফেরি ও ৮৩টি লঞ্চ সচল রয়েছে।

 

ইমরুল কাজী নামে এক যাত্রী জানান, তিনি নরসিংদীর একটি টেক্সটাইল মিলে কাজ করতেন। ঈদের ছুটি হয়েছে। তাই গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের বোয়ালমারী যাচ্ছেন। সড়কের অবস্থা ভালো থাকলেও, ঘাটে এসে প্রচণ্ড যাত্রীর চাপ দেখছি। যাত্রীর চাপে স্বাস্থ্যবিধি উধাও হয়ে গেছে।

 

রেহানা বেগম নামে আরও এক যাত্রী বলেন, লঞ্চঘাটে প্রচণ্ড ভিড়। ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও স্বাস্থ্যবিধি মানা সম্ভব হচ্ছে না। গরমে কষ্ট করতে হচ্ছে। তারপরও ঈদে বাড়ি যাচ্ছি। এটা ভেবেই খুব ভালো লাগছে।

 

নৌ-পরিবহন অধিদফতরের লঞ্চঘাট পরিদর্শক জহিরুল কাইয়ুম বলেন, ঘাটে যাত্রীদের প্রচণ্ড চাপ রয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখতে মাইকিং করা হচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও কাজ করছে। তবে যাত্রীদের মধ্যে আইন মানতে অনীহা দেখা গেছে। স্বাস্থ্যবিধি মানানোর জন্য শতভাগ চেষ্টা করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *