নজর২৪ ডেস্ক- সংগঠনের সঙ্গী রাশেদ খাঁন সরকারের গোয়েন্দাদের হাত মিলিয়েছেন, এমন অভিযোগ ছিল ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের। দাবি, গোয়েন্দারা সংগঠনে ভাঙন ধরানোর চেষ্টা করছেন।
অবশ্য তার এই বক্তব্য সমঝোতার আগের। বিকেলে রাশেদ খাঁন বিরোধ মিটিয়ে ভুল বোঝাবুঝির অবসানের বার্তা দেয়ার আগে গণমাধ্যমকে এই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন নুর।
২০১৮ সালে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করে আলোচিত হওয়া বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের কর্তৃত্ব নিয়ে নুর-রাশেদের মধ্যে বিরোধের কথা এতদিন সামনে আসেনি।
গত রাতে হঠাৎ করেই রাশেদকে বহিষ্কার করে নুরের বিজ্ঞপ্তি আর তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে রাশেদের পাল্টা বিজ্ঞপ্তিতে অনলাইন জগতে তোলপাড়। কী হয়েছে জানতে চায় দুই জনের হাজারো ভক্ত।
রাশেদকে বহিষ্কার করে একটি বিজ্ঞপ্তি ফেসবুকে পোস্ট করেন নূর। এতে তিনি নিজেকে বাংলাদেশ ছাত্র, যুব ও শ্রমিক অধিকার পরিষদের ‘সমন্বয়ক’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
নুরের এমন সিদ্ধান্তে রাশেদ চটেন। নুরকে দেন পাল্টা চিঠি। এতে কেন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে না, তা নিয়ে কারণ দর্শাতেও বলা হয়।
এই পাল্টাপাল্টি নিয়ে তোলপাড়ের মধ্যে হঠাৎ ইউটার্ন নেন রাশেদ। তিনি তার ফেসবুকে স্ট্যটাস দিয়ে বলেন, তাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। এর অবসান হয়েছে।
তবে রাশেদের পরের বক্তব্য আসার আগে নুর কথা বলেন গণমাধ্যমের সঙ্গে। তার অভিযোগ, রাশেদ খানের পেছনে গোয়েন্দা বাহিনী থাকতে পারে।
সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের গণ্ডি ছাড়িয়ে নুর এখন চেষ্টা করছেন রাজনৈতিক দল গঠনের। এর অংশ হিসেবে গড়ে তুলেছেন বাংলাদেশ ছাত্র, যুবক ও শ্রমিক অধিকার পরিষদ। এর সমন্বয়ক হিসেবে আছেন তিনি নিজে। আর রাশেদ দায়িত্ব পালন করতে থাকেন ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হিসেবে।
রাশেদের বিরুদ্ধে অভিযোগের ডালি মেলে নুর বলেন, ‘বিভিন্নভাবেই রাজনৈতিক দল ভাঙনে সরকারের গোয়েন্দাবাহিনী বা সরকারের ইন্ধন থাকে৷ আমরা যেহেতু সরকার বিরোধী জায়গা থেকে রাজনীতি করি আমাদের প্লাটফর্ম ভাঙনের জন্য এখানেও গোয়েন্দা বাহিনী জড়িত থাকতে পারে।’
আরও পড়ুন-
