নজর২৪, ঢাকা- করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ১ জুলাই থেকে ৭ দিনের জন্য সর্বাত্মক লকডাউন থাকবে সারা দেশে। এ সময়ে সরকারি-বেসরকারি অফিসগুলো বন্ধ থাকলেও চালু থাকবে জরুরি পরিষেবা।
এর বাইরে শুধু রফতানিমুখী পোশাক কারখানা, বন্দর, আন্তর্জাতিক ফ্লাইট খোলা থাকবে। এছাড়া খুবই সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে ব্যাংক।
মঙ্গলবার রাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে হওয়া সরকারের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। বৈঠক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সীমিত পরিসরে কোরবানির পশুর হাট খোলা রাখার বিষয়েও নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া কঠোর বিধিনিষেধ না মানলে সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইনের মাধ্যমে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিকেএমইএর সহ সভাপতি মো. হাতেম বলেন, ১ জুলাই থেকে ৭ দিন কঠোর লকডাউন চলাকালে জন্য জরুরী সেবা ও উৎপাদনমূখী শিল্প কারখানা ব্যতীত বাকী সব কিছু সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। শিল্প কারখানার মালিক-কর্মকর্তা এবং শ্রমিক-কর্মচারি সবাইকে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মানুষের চলাচলও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে।
এদিকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে শাটডাউনের সময় জরুরি কারণ ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে এলে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে সরকার।
মঙ্গলবার (২৯ জুন) সন্ধ্যায় এক তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বহস্পতিবার ভোর ৬টা থেকে সারাদেশে সাতদিনের জন্য জনসাধারণ ও যানবাহন চলাচল এবং বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
এ সময়ে জরুরি পরিসেবা কাজের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ছাড়া এবং জরুরি কারণ ছাড়া ঘরের বাইরে কেউ বের হতে পারবে না। যদি কেউ বের হয় তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বিধিনিষেধ ও নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য সম্বলিত প্রজ্ঞাপন বুধবার (৩০ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা হবে বলেও এতে জানানো হয়।
