নজর২৪, ঢাকা- ‘লকডাউনের একি হাল, সবই কি জরুরি পরিবহন?’ সোমবার (২৮ জুন) সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে দাঁড়িয়ে ইস্কাটন এলাকার বাসিন্দা ফরিদ হোসেন এ কথা বলেন।
করোনাভাইরাসের ক্রমবর্ধমান সংক্রমণ রোধে আজ ভোর ৬টা থেকে তিনদিনের সীমিত বিধিনিষেধ (লকডাউন) শুরু হয়েছে। এ সময়ে পণ্যবাহী যান ও রিকশা ছাড়া গণপরিবহন বন্ধ থাকার মন্ত্রিপরিষদের নির্দেশনা থাকলেও লকডাউনে শাহবাগ এলাকায় অসংখ্য প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস মোটরসাইকেল চলাচল করতে দেখা যায়।
অন্যদিকে গণপরিবহন না থাকায় সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে অফিসগামীদের। গন্তব্যস্থলে যেতে তাদের একমাত্র ভরসা ছিল রিকশা। আর সুযোগ বুঝে রিকশাচালকরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করেছেন বলেও অভিযোগ করেছেন অনেক যাত্রী।
সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। সরজমিনে সকাল ৯টার দিকে রামপুরা-গুলিস্তান সড়কে দীর্ঘ যানজট দেখা গেছে। এ ছাড়া বিমানবন্দর সড়কেও যানজট ছিল সকাল থেকে। এই সড়কে কোনো বাস চলতে দেখা না গেলেও মূলত ব্যক্তিগত গাড়ি দেখা গেছে। সড়কের কয়েকটি পয়েন্টে তল্লাশিচৌকি বসিয়ে ঘরের বাইরে আসা মানুষকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে দেখা গেছে পুলিশকে।
এদিকে রাস্তার মোড়ে মোড়ে অফিসগামীরা অপেক্ষায় ছিলেন গণপরিবহনের। অনেকেই রিকশায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেছেন।’
সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, সরকারি-বেসরকারি অফিস-আদালতে প্রয়োজনীয়সংখ্যক কর্মীকে আনার কথা থাকলেও বেশির ভাগ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান তা মানেনি। আর এ কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বেড়েছে।
