নজর২৪, ঢাকা- রিমান্ডে চিত্রনায়িকা পরীমনিকে মারধরের কথা স্বীকার করেছেন ডেভলপার ব্যবসায়ী নাসির ইউ মাহমুদ ও তুহিন সিদ্দিকী অমি। রিমান্ডে তারা আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন গোয়েন্দা পুলিশকে।
বুধবার (১৬ জুন) দুপুরে গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার হারুন-অর-রশিদ বলেন,’ দুজনেই পরীমনিকে গালে থাপ্পড় মারা ও তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। এছাড়া সেদিন বোট ক্লাবে কি ঘটেছিল? কার কি ভূমিকা ছিল সবকিছুই সিসি ক্যামেরার ফুটেজে আছে।’
গোয়েন্দা পুলিশের কাছে আসা সিসি ফুটেজ দেখা যায়, ঘটনার দিন রাত ১২টা ২২ মিনিটের দিকে কালো রঙের একটি গাড়ি বোট ক্লাবের ভেতরে প্রবেশ করেছে। গাড়ি থেকে অমি’র সঙ্গে নামেন পরীমনি। সঙ্গে ছিলেন পরীমনির ডিজাইনার জিমি ও তার বোন বনি। সুস্থ এবং স্বাভাবিকভাবে ক্লাবটিতে প্রবেশ করেন তারা। সেখানে আগে থেকেই ছিলেন নাসির ইউ আহমেদ।
দেড় ঘণ্টা পর পরীমনীকে অচেতন অবস্থায় কোলে করে দৌড়ে বের হতে দেখা যায় জিমি ও একজন নিরাপত্তা প্রহরীকে। পেছন আসেন অমিও। ক্লাবে অমির কালো গাড়িতে গেলেও পরীমনি ফিরেছেন সাদা রঙের একটি গাড়িতে। এ সময় অমি সাহায্য তো করেনইনি উল্টো শাসিয়েছেন সবাইকে।
সেখান থেকে রাত তিনটা ৫২ মিনিটে বনানী থানায় আসেন পরীমনি। ডিউটি অফিসারের রুমেও তাকে অসুস্থ দেখা যায়। কিছুক্ষণ পর সেখান থেকে বেরিয়ে যান। পুলিশ গাড়িতে করে এভারকেয়ার হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয় পরীমনিকে।
ক্লাবের ভেতরে সিসিটিভি ক্যামেরা না থাকলেও ১৫ সেকেণ্ডের ফুটেজে ভাঙচুর ও পরীমনিকে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করতে শোনা যায় নাসিরকে। পরীমনির দাবি, জোর করে তাকে মদ পান করানো হয়েছিল।
পুলিশ বলছে, পরীমনিকে নাসিরের কাছে তুলে দিয়েছিলেন অমি। পানীয়র সঙ্গে নেশাদ্রব্য খাইয়ে তাকে ধর্ষণচেষ্টা হয় সেখানে। বোট ক্লাবের সিসিটিভির ফুটেজে ঘটনার প্রমাণও মিলেছে।
পুলিশের কাছে দোষ স্বীকার করেছেন অমি ও নাসির।
