নজর২৪, ঢাকা- রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি না মেলায় হতাশা প্রকাশ করেছে বিএনপি।
রোববার (৯ মে) রাতে হাসপাতালে খালেদা জিয়ার খোঁজ-খবর নেয়ার পর সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, ‘সরকারের এই সিদ্ধান্তে আমরা নিঃসন্দেহে হতাশ। তার (খালেদা জিয়া) এই চিকিৎসা যথেষ্ট নয়। ওয়ান-ইলেভেনের ধারাবাহিকতায় সরকার খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে চায়, এই জন্যই এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রতিহিংসামূলক রাজনীতি চরিতার্থ করার জন্যই এ সিদ্ধান্ত।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আইনের মধ্যেই যথেষ্ট পরিমাণ দণ্ড মওকুফের সুযোগ রয়েছে। খালেদা জিয়ার জন্য তাদের মানবতা কাজ করেনি, শিষ্টাচার কাজ করেনি। রাজনীতির শিকার হয়েছেন তিনি।’
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমার কাছে বেটার (ভালো) মনে হলো। অক্সিজেন ছাড়াই শ্বাস-প্রশ্বাস নিচ্ছেন তিনি; সাইন অব ইমপ্রুভমেন্ট (উন্নতির লক্ষণ)।’
খালেদার জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করা হবে কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা তো আবেদন করিনি। এটা তার পরিবার সিদ্ধান্ত নেবে।’
এর আগে রোববার সন্ধ্যায় সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের দেয়া মতামত বে-আইনি। এ আইনে এমন কোনো বিধান নেই যে কোনো দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বিদেশে যেতে পারবে না। এ আইন করাই হয়েছে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের জন্য। খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে কোনো অঘটন ঘটে গেলে তার দায়ভার সরকারের।
তিনি বলেন, আইনে ব্যাপক ক্ষমতা দেয়া হয়েছে নির্বাহী কর্মকর্তাদেরকে। সেক্ষেত্রে সরকার একটা ঠুনকো আদেশ দিয়ে বলছেন, যে আইনের বিধান নাই। তিনি প্রশ্ন তোলেন, বিধান নাই এ কথাটা কোথায় আছে। ৪০১ এ বিধান আছে কি বিধান নাই। এটা তো বলা হয় নাই।
