নজর২৪, ঢাকা- দেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর দিনে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম এলাকায় তান্ডবের অভিযোগে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকসহ সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের ১৭ নেতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।
মামলায় সাধারণ মুসল্লিদের ওপর হামলার পাশাপাশি দেশব্যাপী নৈরাজ্য তৈরির পরিকল্পনার অভিযোগ করা হয়েছে। একইসঙ্গে সরকার পতনের ষড়যন্ত্রের অভিযোগও আনা হয়েছে মামুনুলসহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
সোমবার (৫ এপ্রিল) রাতে রাজধানীর পল্টন থানায় মামলাটি দায়ের করেন ওয়ারী এলাকার ব্যবসায়ী খন্দকার আরিফ-উজ-জানান।
পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু বকর সিদ্দিক এ মামলার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, খন্দকার আরিফ-উজ-জামান, তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। ২৬ মার্চ দুপুরে বায়তুল মোকাররম মসজিদে জুমার নামাজ পড়তে যান। নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হয়ে মসজিদের বাইরে উত্তর গেটের সিঁড়িতে কয়েক হাজার জামাত-শিবির-বিএনপি-হেফাজতের উগ্র মৌলবাদী ব্যক্তির বিশাল জমায়েত দেখতে পান।
হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বে শীর্ষস্থানীয় জামাত-শিবির-বিএনপি-হেফাজত নেতারা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গোপন বৈঠকে মিলিত হয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে দেশি-বিদেশি সরকার প্রধান ও নারী প্রধানদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিকে বানচাল করা এবং ঢাকাসহ সারা দেশে ব্যাপক নৈরাজ্য সৃষ্টির পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র করেন। সেখানে রাষ্ট্র ও সরকার বিরোধী নানা স্লোগান দেয়া হয়।
হেফাজত ইসলামের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের প্রত্যক্ষ নির্দেশে দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ দা, ছোরা, কুড়াল, কিরিচ, হাতুড়ি, তলোয়ার, লাঠিসোঁটাসহ অতর্কিতে তিনি (বাদী) সহ সাধারণ মুসল্লিদের ওপর হামলা করেন। এ হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন।
