মো:নজরুল ইসলাম, ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ক্রিকেটার নাসির হোসেনের নববিবাহিত স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির পাঠানো তালাকের কোনো নোটিশ সাবেক স্বামী রাকিবের বাড়িতে আসেনি বলে জানা গেছে।
আলোচিত তামিমা সুলতানা তাম্মির সাবেক স্বামী রাকিবের গ্রামের বাড়ী ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার ভৈরবপাশা ইউনয়ন পরিষদে এমন কোন তালাকের নোটিশ আসেনি বলে জানিয়েছেন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন ও ইউনিয়ন পরিষদ সচিব মাকসুদুল হক।
অথচ বুধবার ঢাকায় সংবাদ সম্মেলনে রাকিব হোসেনকে তালাক দেয়ার দাবি করেন তামিমা সুলতানা তাম্মি এবং তালাকের নোটিশ তার এলকায় পাঠানোর কথা দাবী করেন।
রাকিবের গ্রামের বাড়ী ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার ভৈরবপাশা ইউনিয়নের ষাইটপাকিয়া গ্রামে ওই গ্রামের তাদের বাড়ীঘর থাকলেও তারা ওখানে বসবাস করেন না। তবে রাকিবের মা তার শিশু কন্যাকে নিয়ে উপজেলার নলছিটি পৌর এলকার বিশিষ্ট ঠিকাদার মাফুজ খানের বাসায় ভাড়া থাকেন।
সেখানে গিয়ে রাকিব ও তাম্মির শিশু কন্যাকে রাকিবের মায়ের সাথে দেখা গেছে। রাকিবের মা জানান তার ছেলেকে তালাক দিয়েছে তা কয়েকদিন আগে মিডিয়ার সংবাদে জানতে পারেন। তবে তালাকের কোন কাগজই তারা পাননি বলে জানান।
ক্রিকেটার নাসির হোসেন এবং তামিমা সুলতানা তাম্মির বিয়ে নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই চলছে তোলপাড়। প্রথম স্বামী রাকিব হোসেন এরই মধ্যে মামলা করেছেন স্ত্রী তাম্মি ও নাসিরের বিরুদ্ধে।
মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে যে, প্রথম স্বামী বর্তমান থাকতে এবং তাকে তালাক না দিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন তাম্মি। আর নাসিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ, অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করা।
এসব অভিযোগের জবাব দিতে বুধবার ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করেন নাসির ও তাম্মি। সেখানে তাম্মি দাবি করেন যে, রাকিবকে অনেক আগেই তালাক দিয়েছেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে তালাকের কপি দেখিয়ে তাম্মি জানান, তালাকের এই কপি রাকিবের গ্রামের বাড়ি নলছিটি উপজেলার ভৈরবপাশা ইউনিয়ন পরিষদেও পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এখানে খবর নিয়ে এর কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি ইউনিয়ন পরিষদ বা রাকিবের পরিবার এরখম কোন কাগজ পাননি বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধা পর্যন্ত এরকম কোনো তালাকের নোটিশ বা কোন কাগজ পাননি বলে জানিয়েছেন নলছিটির ভৈরবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন ও সচিব মাকসুদুল হক মাকসুদ।
বৃহস্পতিবার ইউনিয়ন পরিষদ কতৃপক্ষ এ সংক্রান্ত রেজিস্টার দেখিয়ে বলেন, সাধারণ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে এ জাতীয় কাগজপত্র পাঠানো হয়। রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠানো হলে তা না আসার কোনো কারণ নেই। আমাদের রেজিস্টারে এ ধরনের নোটিশ আসার কোনো প্রমাণ লিপিবদ্ধ নেই।
তাছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে যেরকম তোলপাড় চলছে তা জানার পর আমরা পুনরায় যাচাই করে দেখেছি কিন্তু কোনো ধরনের নোটিশ আসার রেকর্ড নেই।
