‘বাংলাদেশে খালেদা জিয়ার চেয়ে আর গরীব কেউ নাই’

নজর২৪, ঢাকা- বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, বাংলাদেশে খালেদা জিয়ার থেকে গরিব আর কেউ নেই। জিয়াউর রহমানের কিছু নেই, তিনি কিছু রেখে যায়নি। নিজের একটা বাড়ি নাই, ভাড়া বাড়িতে থাকে। ভাড়া পরিশোধের জন্য প্রায় নোটিশ আসে।

 

বুধবার (০২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীতে এক মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে পুরান ঢাকার মোগলটুলিতে জিয়াউর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করার প্রতিবাদে এই মানববন্ধন হয়।

 

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘দুর্নীতি দমন কমিশন খালেদা জিয়ার যা উপার্জন, যা সম্পদ আছে বৈধভাবে সার্টিফিকেট দিয়েছেন। তাহলে তার একাউন্ট সিজ করে কেনো? কেনো তিনি একাউন্ট থেকে ৫০ হাজার টাকার বেশি তুলতে পারেন না। ঢাকা শহরে একজন নেত্রীর ৫০ হাজার টাকায় কীভাবে চলে, কীভাবে তার চিকিৎসা চলে?’

 

গয়েশ্বর বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একটি ইতিহাস। আজ বিজয়ের মাসের দ্বিতীয় দিন। বাংলাদেশের মানুষ বিজয় দিবস উদযাপনের জন্য যার যার জায়গা থেকে প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি বলেন, দশ মাস বয়স হলো করোনার। ১০ মাসের মধ্যে ১০ মিনিটের জন্যে প্রধানমন্ত্রী তার বাসভবন থেকে বের হননি। আমাদের অনেক সিনিয়র নেতা করোনায় প্রাণ দিয়েছে। এখনো করোনায় ভুগছে। আমিও যেকোনো সময় আক্রান্ত হতে পারি।

 

ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের উদ্দেশ্য করে গয়েশ্বর বলেন, ‘প্রতিহিংসা বাদ দেন। কম তো খান নাই। এগুলো শেষ করতে যতটুকু হায়াত দরকার, আল্লাহ এতো হায়াত দেয় নাই। বাংলাদেশকে তো আপনি শেষ করে দিয়েছেন। এসব খেতেও পারবেন না, কবরে নিয়েও যেতেও পারবেন না।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘আদর্শ-চেতনা-দেশপ্রেমে জিয়াউর রহমান, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বে জিয়াউর রহমান, গণতন্ত্রে জিয়াউর রহমান, উৎপাদনে জিয়াউর রহমান। তাকে সহ্য করতে আপনারা (আওয়ামী লীগ) পারবেন না। তাকে ইচ্ছা করলে আড়াল করা যায় না।’

 

‘রাষ্ট্রের টাকা খরচ করে যত স্মৃতিসৌধ, কত কিছু বানাচ্ছেন। সেগুলো রক্ষার স্বার্থে হলেও ইতিহাসে হাত দেবেন না। যে যেখানে আছে রাজনৈতিক কারণে, ঐতিহাসিক কারণেই জাতির সামনে তারা এখানে আছে। তাদেরকে থাকতে দিন, তাদের নাম রাখতে দিন। মানুষের হৃদয়ে আঘাত করলে সেই আঘাতের পাল্টা আঘাত আসবে তখন কোনো ক্ষমতাই টিকিয়ে রাখতে পারবে না।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *