নজর২৪ ডেস্ক- মুসলিম উম্মাহর শান্তি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি কামনা করে আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে তিন দিনব্যাপী চরমোনাইর বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল সমাপ্ত হয়েছে।
আজ সোমবার (৩০ নভেম্বর) সকালে চরমোনাইয়ের পীর আমীরুল মুজাহিদীন মুফতী সৈয়দ রেজাউল করীম আখেরী মুনাজাত পরিচালনা করেন। ফজরের নামাজের পর তিনি আগত কয়েকলক্ষ ধর্মপ্রাণ মুসলামানের উদ্দেশ্যে বয়ান ও নসিহত পেশ করেন।
রবিবার মাহফিলের শেষ দিন হলেও বরাবরের মতো সোমবার সকালে আখেরী বয়ান ও মুনাজাতের পর মাহফিলের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে। আগত লক্ষ লক্ষ মুসল্লীদের নিরাপত্তা ও সহযোগিতায় নিয়োজিত ছিল কয়েক হাজার স্বেচ্ছাসেবক, কয়েকশ স্বেচ্ছাসেবী বিশেষ নিরাপত্তা কর্মী; একশ লাইট, মাইক ও টেলিফোন টেকনেশিয়ান। একদল নিবেদিত ডুবুরি, ফায়ারসার্ভিস কর্মী, পুলিশ, RAB ও গোয়েন্দা বাহিনী। দেশ—বিদেশের মেহমানদের জন্য ছিল সুবিশাল মেহমানখানা।
শুক্রবার থেকে শুরু হয় ঐতিহাসিক চরমোনাই অগ্রহায়নের মাহফিল। মাহফিলে অংশ নিতে কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী চরমোনাই মাদ্রাসার মাঠসহ আশপাশের এলাকাজুড়ে ঢল নামে মুসল্লিদের। বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির তত্বাবধানে পরিচালিত ঐতিহাসিক চরমোনাই অগ্রহায়নের মাহফিলের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। তবে মাহফিল শুরুর পূর্বেই মানুষের ঢল নামে কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী চরমোনাই ময়দানে।
তিনদিনব্যাপী এই মাহফিল ২৭ নভেম্বর শুরু হয়ে ৩০ নভেম্বর সোমবার আখেরী মুনাজাতের মাধ্যমে শেষ হলো।
বৃহত চরমোনাই এই অগ্রহায়ন মাহফিলে আগত মুসল্লিদের জন্য প্রস্তুত করা হয় দুইটি মাঠ। শুক্রবার মাহফিল শুরুর পূর্বেই পূর্ণ হয়ে যায় নির্দিষ্ট জায়গা সমূহ। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এখনো হাজার হাজার মুসল্লি চরমোনাই অভিমুখে।
শুক্রবার চরমোনাই মায়দানে একসাথে জুমার নামাজ আদায় করেন লক্ষ লক্ষ মুসল্লি। জুমার নামাজের পূর্বে গুরত্বপূর্ণ আলোচনা করেন নায়েবে আমীরুল মুজাহেদিন মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই।
