তুলতুলের সঙ্গে যেভাবে প্রেম হয় অভিনেতা চাষী আলমের

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা মাহবুবুর রহমান চাষী অর্থাৎ চাষী আলমের বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) রাতে গায়ে হলুদ সম্পন্ন হয়েছে। ওই দিনই কাবিন হয়েছে তার। আর শুক্রবার (২৫ আগস্ট) রাতে রাজধানীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ের বাকি অনুষ্ঠান হবে। এ রাতেই নববধূ তুলতুল ইসলামকে ঘরে তুলবেন ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ নাটকের হাবু।

এদিকে বিয়ের বাকি আনুষ্ঠানিকতার আগ মুহূর্তে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন অভিনেতা চাষী আলম। বলেন, বিয়ের অনুষ্ঠানে সেভাবে ইন্ডাস্ট্রির মানুষদের দাওয়াত করা হয়নি। পরিবার ও কাছের কিছু মানুষদের নিয়ে ছোট পরিসরে আয়োজন করা হয়েছে।

পারিবারিকভাবে বিয়ে হচ্ছে চাষী আলমের। তবে কনে তুলতুলের সঙ্গে প্রায় ছয় মাস আগে উত্তরায় পরিচয় হয় তার। হঠাৎ করেই তাদের পরিচয়। মেয়েটি তার অভিনয়ের খুব ভক্ত ছিলেন। দু’জনের পরিচয় হওয়ার কিছুদিন পর কথাবার্তা হতে থাকে। মাঝে মাঝে দেখাও করতেন। একপর্যায়ে অভিনেতার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা দেখেন মেয়েটিকে। তাদের কাছে তুলতুলকে পছন্দ হয় বলে জানান চাষী আলম।

এ অভিনেতা বলেন, তুলতুলের এক ভাগনে আমার অভিনয়ের ভক্ত। একদিন উত্তরায় কয়েকজন বন্ধুরা মিলে চটপটি খাচ্ছিলাম। সেখানে ভাগনের সঙ্গে তুলতুলও চটপটি খেতে এসেছিল। আমাকে দেখে তুলতুল ও তার ভাগনে ছবি তুলে। তারা আমার অভিনয়ের প্রশংসা করে। সেদিন আমাদের প্রথম পরিচয়। আমার ফোন নম্বর নিয়েছিল সে।

চাষী আলম বলেন, এর কিছুদিন পর ফোনে আমাদের কথা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরস্পরের প্রতি ভালো লাগা শুরু হয় আমাদের। কিন্তু বেশিদিন তো প্রেমের স্বাদ নিতে পারলাম না। মা ও চাচির চাপাচাপিতে তাড়াতাড়ি বিয়েই হয়ে গেল। তুলতুলের সঙ্গে আংশিক বা স্বল্পদৈর্ঘ্য প্রেমের বিয়েও বলতে পারেন (হাসতে হাসতে)।

এদিকে জানা গেছে অভিনেতার স্ত্রী তুলতুলের ডাক নাম মোহনা। রাজধানীর বাড্ডায় পরিবারের সঙ্গে থাকেন। দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট সে। মা গৃহিণী এবং বাবা ব্যবসায়ী। মাঝে দুই বছর পড়ালেখা বন্ধ ছিল তার। তবে গত বছর বেসরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ শেষ করেছেন তুলতুল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *