Home বিনোদন প্রায় অচল হয়ে গেছেন প্রবীর মিত্র, দিনদিন হ্রাস পাচ্ছে শ্রবণশক্তিও

প্রায় অচল হয়ে গেছেন প্রবীর মিত্র, দিনদিন হ্রাস পাচ্ছে শ্রবণশক্তিও

0
108

বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছেন দাপুটে অভিনেতা প্রবীর মিত্র। তার শারীরিক অবস্থা খুব বেশী ভালো নেই। প্রায় অচল হয়ে গেছেন। তার হাঁটুতে অপারেশন করতে হবে। চিকিৎসকরা এমনটাই পরামর্শ দিয়েছেন।

সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন প্রবীর মিত্রের ছেলের বউ সোনিয়া। তিনি বলেন, ডাক্তার হাঁটুর অপারেশনের কথা বলেছেন। তার পায়ের অবস্থা একটু ভালো হলে অপারেশনটা করাতে হবে। সাপোর্ট ছাড়া এখন হাঁটাচলা ও উঠে দাঁড়াতে পারেন না। এর বাইরে কিছুটা বাধর্ক্যজনিত সমস্যা আছে। চোখে বা কানে একটু কম শোনা এগুলো বয়সের কারণে হয়েছে।

আরও জানা যায়, প্রবীর মিত্র অনেক দিন ধরেই শারীরিক অন্যান্য জটিলতায় ভুগছেন। নতুন করে যোগ হয়েছে স্মৃতি ভুলে যাওয়ার সমস্যা। তিনি কিছু মনে করতে পারেন না। প্রবীর মিত্রের শ্রবণশক্তিও দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। উচ্চস্বরে কথা বললে উত্তর দিতে পারেন। হৃদরোগের জটিলতাও রয়েছে।

গেল বছর প্রবীর মিত্র ভারতে চিকিৎসা নিতে গিয়েছিলেন অস্টিওপরোসিসে রোগের। তারপর তাকে কেমো দেয়া লাগে। নীরবে নিভৃতে ও একাকিত্বে ধানমন্ডিতে ছেলের বাসায় দিন কাটাচ্ছেন নবাব সিরাজউদ্দৌলা খ্যাত এ অভিনেতা। তার দিনের বেশিরভাগ সময় কাটে টিভি দেখে। ঘরবন্দী থাকলেও মন পড়ে থাকে এফডিসি ও শুটিংয়ে।

প্রবীর মিত্রের ছেলে মিথুন মিত্র জানান, তার বাবার শ্রবণ শক্তি দিনদিন হ্রাস পাচ্ছে। সে কারণে তিনি ঠিকমত কানে শুনতে পান না। উচ্চস্বরে কথা বললে উত্তর দিতে পারেন। তবে তিনি ঠিকমত খাওয়াদাওয়া করতে পারেন।

স্কুলজীবনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ডাকঘর’ নাটকে অভিনয় করেছিলেন প্রবীর মিত্র। পরবর্তীতে পরিচালক এইচ আকবরের হাত ধরে ‘জলছবি’ নামে একটি চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়েছে বড়পর্দায় তার অভিষেক হয়। মূলত এ ছবিতে কাজের ব্যাপারে তার বন্ধু এটিএম শামসুজ্জামানই তাকে সহযোগিতা করেছিলেন। ১৯৪০ সালে পুরনো ঢাকায় জন্মগ্রহণকারী প্রবীর মিত্র স্কুলজীবন থেকেই নাট্যচর্চার সঙ্গে যুক্ত হন।

‘তিতাস একটি নদীর নাম’, ‘চাবুক’-এর মতো সিনেমায় নায়কের ভূমিকায় দেখা গেছে প্রবীর মিত্রকে। এছাড়া ‘রঙিন নবাব সিরাজউদ্দৌলা’ সিনেমায় মূখ্য চরিত্রে ছিলেন তিনি। এ কারণেই অনেকে তাকে ঢাকাই সিনেমার ‘রঙিন নবাব’ বলে ডাকেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here