আগে মাথায় স্কার্ফ বাঁধতাম, কানে দুল পরতাম: জায়েদ খান

অভিনয়শিল্পীরা সাধারণত অভিনয় দিয়ে আলোচনায় থাকেন। আর জায়েদ খান আলোচনায় থাকেন কথা দিয়ে। ক্যামেরার সামনে এলেই নিজের সম্বন্ধে এমন কিছু কথা বলে বসেন যাতে নেটিজেনরা নড়েচড়ে বসতে বাধ্য হন।

এবার জায়েদ মুখ খুললেন নিজের ফ্যাশন নিয়ে। জানালেন, ছোটবেলা থেকেই তিনি স্টাইল করেন। সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন জায়েদ।

তিনি বলেন, ‘আমি ছোটবেলা থেকেই স্টাইল করি। আপনি যদি আমার ছোটবেলার ছবি দেখেন আমি দেখাব। সেই সময় আমার মনে আছে— আমি যখন ক্লাস ফাইভে পড়ি, তখন আমার বাবার সঙ্গে আমি ঈদের জামা কিনতে গিয়েছিলাম। তখন নতুন জামা বের হয়েছিল- বুকে লেখা ইউএস আর্মি, হাতা ফোল্ড করে ফিতা লাগানো থাকত। আব্বা এটা কোনোমতেই কিনে দেবে না; বলল এটা মাস্তান টাইপের মনে হয়। তুমি পড়াশোনা করো; এটা হবে না। এই কথা শুনে আমি রাস্তার ড্রেনের মধ্যে শুয়ে পড়েছিলাম, গড়াগড়ি করছিলাম, দিতেই হবে। আমার কাণ্ড দেখে সব দোকানদার তাকিয়ে আছে। পরে লজ্জায় আব্বা সেটা কিনে দিতে বাধ্য হয়।’

এরপর জায়েদ বলেন, ‘আমি ছোটবেলায় যখন এসএসসি দেব, তখন মাথায় স্কার্ফ বাঁধতাম, চাপা কানের দুল পরতাম, হাতে ব্রেসলেট পরতাম।’

এর আগে নিজের বিয়ে নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন জায়েদ। কেন বিয়ে করছেন না? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন, ‘বিয়ে করলেই তো বাসি হয়ে গেলাম। এ জন্য একটু সময় নিচ্ছি। বিয়ে করলে অনেকের মন ভেঙে যাবে আমি জানি। ইনবক্সে (ফেসবুক মেসেঞ্জার) সবাই বলতে থাকে প্লিজ এভাবে থাকেন, বিয়ে করবেন না।’

এদিকে শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদকের পদ নিয়ে এখনও জটিলতা আছে। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। এ অবস্থায় নিপুণ আক্তার দায়িত্ব পালন করতে পারবেন বা পারবেন না–এ নিয়ে দুই পক্ষের দুই বক্তব্য।

নিপুণকে ক্ষমতা হস্তান্তরের আহ্বান জানিয়েছেন জায়েদ খান। জায়েদ খান বলেন, ‘আমি শিল্পীদের ভোটে নির্বাচিত। ভোটে আমি শিল্পীদের অভিভাবক, একটা মানুষ অবৈধ, অগণতান্ত্রিক, অনির্বাচিত। সে জোর করে যদি সেক্রেটারি হয় কিছু করার নেই।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *