আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদন নিয়ে মুখ খুললেন মিথিলা

আলোচিত দম্পতি সৃজিত মুখার্জি ও রাফিয়াত রশিদ মিথিলার দুই মাসের মধ্যে বিচ্ছেদ হতে যাচ্ছেন। কলকাতার প্রভাবশালী দৈনিক আনন্দবাজার এই দম্পতির নাম প্রকাশ না করে ইঙ্গিতপূর্ণভাবে এমন দাবি করছে।

তবে এই খবরে তেমন কোন প্রতিক্রিয়া নেই মিথিলার। শুটে ব্যস্ত থাকা মিথিলা তাই এই খবরে প্রতিক্রিয়া জানালেন অল্প বাক্যে। সেটি এমন, ‘এই খবরের সঙ্গে আমি সম্পৃক্ত নই। খবরে কি আমার নাম আছে?’

এর আগে আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘একজন টলিউডের হিট পরিচালক। অন্যজন অভিনেত্রী। সীমান্ত পেরিয়ে প্রেম, তার পর বিয়ে। মাঝে একটা বছর ভালই চলছিল সব। কিন্তু টলিপাড়ার পরিচালকের মন যে উড়ুউড়ু। কখনও অভিনেত্রীর প্রেমে হাবুডুবু খেয়েছেন, কখনও আবার ‘এক্স’-কেই প্রেম বানিয়েছেন। তবে বিয়ে করে ঘরে বেঁধেছিলেন। কিন্তু খুব বেশি দিন আর এগোয়নি তাঁদের একসঙ্গে পথচলা। তার আগেই গুঞ্জন, ভাঙন ধরেছে সম্পর্কে। দ্বিতীয় নারীর প্রবেশ ঘটেছে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে। যদিও আগের বারগুলোর মতো কোনও অভিনেত্রী নন, পরিচালকের মনে মজেছে ক্যামেরার নেপথ্যে থাকা এক কমবয়সি নারীতে।’

প্রতিবেদনে অভিনেত্রীর স্বামী সঙ্গ দেয়নি উল্লেখ করে বলা হয় ‘পরিচালকের স্ত্রীর অবশ্য শুধুই যে অভিনয় ধ্যানজ্ঞান, এমনটা নয়। নিজের অন্যান্য কাজের কারণে দেশের বাইরেই কাটাতে হয় অনেকটা সময়। পরিচালক সেই ফাঁকেই ডাল-ভাত ছেড়ে বিরিয়ানিতে মন দিয়েছেন। ইন্ডাস্ট্রির অন্দরের কানাঘুষো, আজকাল পার্টিতে সারাক্ষণ নতুন নারীই নাকি পরিচালকের সঙ্গী। সে খবর পৌঁছে গিয়েছে তাঁর স্ত্রীর কাছেও। অভিনেত্রী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ইচ্ছে ছিল এই দেশে। সেই মতো বেশ কিছু ছবি এবং সিরিজ়ও করেন। তবে সঙ্গ দিলেন না স্বামী! ঘনিষ্ঠ সূত্রে খবর, আর দু’মাসের মধ্যেই পত্রপাঠ সম্পর্ক চুকিয়ে নিজের দেশে ফিরে যাবেন অভিনেত্রী। তবে পরিচালককে এখনই আইনত মুক্ত করতে ইচ্ছুক নন অভিনেত্রী। এবার দেখা যাক, কোন দিকে বাঁক নেয় তাঁদের সম্পর্ক!’

এই পত্রিকার দাবি আগামী দুই মাসের মধ্যে সৃজিতের সঙ্গে সম্পর্ক চুকিয়ে বাংলাদেশে ফিরবেন মিথিলা।

উল্লেখ, গত ২০১৯ সালের ০৬ ডিসেম্বর টলিউড পরিচালক সৃজিত মুখার্জীকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন দেশের অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। আলোচিত এই জুটি সব সময় থাকেন আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে। এর আগে ২০২২ সালের নভেম্বরে তাদের সংসার ‘ভেঙে যাচ্ছে’ বলে গুঞ্জন চাউর হয়। সেসময় মিথিলা জানিয়েছিলেন, ‘বিয়ে ভাঙার গুজব পুরোপুরি ভিত্তিহীন’।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *